শারদ-সংখ্যা

দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বিশেষ শারদ সংখ্যা প্রকাশনার ধারা গত শতাব্দীর শুরু থেকে চলে আসছে। ১৯১৩ সালে ‘ভারতবর্ষ’  পত্রিকার একটি শারদীয়া সংখ্যা প্রকাশিত হয় – সেটিই ছিল প্রথম পুরোমাত্রায় কোনো পত্রিকার শারদ সংখ্যা। ১৯২৬ সাল থেকে আনন্দবাজার গোষ্ঠী পুজো সংখ্যা বের করতে শুরু করে। শারদীয়া সংখ্যায় প্রকাশিত কিছু উপন্যাস বা গল্পের একটি তালিকা এখানে দেওয়া হল। এটা দেখলে একটু আন্দাজ পাওয়া যাবে যে কেন পাঠকরা পুজোসংখ্যার আশায় বসে থাকতেন, বা, আজও থাকেন।

সন শারদীয়া পত্রিকা লেখক গল্প/উপন্যাস
১৯৩৯ আনন্দবাজার মানিক বন্দোপাধ্যায় শহরতলী
১৯৪১ আনন্দবাজার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রগতিসংহার
১৯৫১ দেশ সুবোধ ঘোষ ত্রিযামা
১৯৫২ দেশ তারাশংকর বন্দোপাধ্যায় রাধা
১৯৫৩ আনন্দবাজার তারাশংকর বন্দোপাধ্যায় সঞ্জীবন ফার্মেসি (আরোগ্যনিকেতন)
১৯৫৪ দেশ বিমল কর পিঙ্গলার প্রেম
১৯৬২ দেশ শিবরাম চক্রবর্তী স্ত্রী – মানেই ইস্ত্রি?
১৯৬৩ দেশ প্রবোধকুমার সান্যাল কাঁচ কাটা হিরে
১৯৬৫ দেশ সমরেশ বসু বিবর
১৯৬৬ দেশ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আত্মপ্রকাশ
১৯৬৭ দেশ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ঘুনপোকা
১৯৭০ দেশ সত্যজিৎ রায় গ্যাংটকে গন্ডগোল
১৯৭২ আনন্দমেলা মতি নন্দী স্ট্রাইকার
১৯৭৩ আনন্দমেলা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সত্যি রাজপুত্র
১৯৭৩ আনন্দমেলা মতি নন্দী স্টপার
১৯৭৩ আনন্দমেলা সত্যজিৎ রায় বারীন ভৌমিকের ব্যারাম
১৯৭৩ দেশ সত্যজিৎ রায় কৈলাসে কেলেংকারি
১৯৭৪ আনন্দমেলা মতি নন্দী কোনি
১৯৭৪ দেশ সত্যজিৎ রায় রয়্যাল বেঙ্গল রহস্য
১৯৭৫ আনন্দমেলা সত্যজিৎ রায় ফটিকচাঁদ
১৯৭৫ আনন্দমেলা বুদ্ধদেব গুহ ঋজুদার সঙ্গে জঙ্গলমহলে
১৯৭৫ দেশ সত্যজিৎ রায় জয় বাবা ফেলুনাথ
১৯৭৬ দেশ সত্যজিৎ রায় বোম্বাইয়ের বোম্বেটে
১৯৭৬ আনন্দমেলা সত্যজিৎ রায় শঙ্কুর শনির দশা
১৯৭৬ আনন্দমেলা বিমল কর কাপালিকরা এখনও আছে
১৯৭৭ আনন্দমেলা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় গোসাঁইবাগানের ভূত
১৯৭৭ দেশ সত্যজিৎ রায় গোরস্থানে সাবধান
১৯৭৯ আনন্দমেলা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ভয়ংকর সুন্দর