• সীমান্তে লালফৌজের আচরণ গভীর ফেলেছে প্রভাব সম্পর্কে: বিদেশমন্ত্রী 
    বর্তমান, 18 October 2020
  • নয়াদিল্লি: লাদাখে ভারত-চীন সীমান্তে লালফৌজের আচরণ দুই দেশের সম্পর্কে গুরুতর প্রভাব ফেলেছে। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে গড়ে ওঠা সম্পর্কে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে লালফৌজের সক্রিয়তা। এশিয়া সোসাইটি আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনায় এমনই দাবি করলেন, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। শুক্রবার তিনি আরও বলেন, গালওয়ান সীমান্ত সেনা সংঘর্ষ নাগরিক জীবন ও ভারত-চীন রাজনৈতিক সম্পর্কে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে।

    উল্লেখ্য, ১৫ জুন গালওয়ান সীমান্তে ভারত ও চীন সীমান্তে সৈন্যদের মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। প্রাণ হারান ২০ জন ভারতীয় সেনা। যদিও চীনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির কোনও হিসেব দেওয়া হয়নি। কিন্তু দু’দেশের সম্পর্ক ক্রমশ তলানিতে ঠেকে। বিদেশমন্ত্রীর কথায়, চীনের সেই আচরণের কোনও ব্যাখ্যা নেই তাঁর কাছে। সেকথা উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে শান্তি এবং সৌহার্দের ভিত্তিতে চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছে ভারত। ১৯৯৩ সালের পর থেকে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে চীনের সঙ্গে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু বর্তমানে সীমান্ত অঞ্চলে চীনের স্বশস্ত্র সৈন্য সংখ্যা বৃদ্ধির ঘটনা ওই সব চুক্তির সম্পূর্ণ বিপরীত। সীমান্তে বিপুল পরিমাণ লালফৌজের সমাবেশ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুতর চ্যালেঞ্জ। এদিকে সীমান্ত থেকে সেনা সরাতে দু’পক্ষই পরস্পরের উপর চাপ তৈরি করছে। চুশুল এলাকা থেকে ভারতকে সেনা সরাতে আবেদন জানিয়েছে বেজিং। উল্টোদিকে প্যাংগং লেক এলাকা থেকে চীনা সেনাকে পিছু হটার দাবি জানিয়েছে নয়াদিল্লি। সামনেই শীতকাল আসছে। সূত্রের দাবি, সেই সুযোগ নিয়ে সীমান্তে সেনা সমাবেশ বাড়াতে পারে চীন। ফলে যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা দরকার। ওই সূত্রের আরও দাবি, এই মুহূর্তে সীমান্তে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে ভারতীয় সেনা।  
  • Link to News (বর্তমান)