• চাকরি ছেড়ে চায়ের দোকান শুরু দুর্গাপুরের ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের
    এই সময় | ২৫ নভেম্বর ২০২১
  • এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: দিনে-রাতে, শীত-গ্রীষ্মে, রাস্তা-ঘাটে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেওয়ার অভ্যাস নেই, এমন মানুষের সংখ্যা নেহাতই কম। চা নিয়ে বহু মানুষের মধ্যে রয়েছে সৌখিনতা। ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের চায়ের স্বাদ নিতে হলে আপনাকে আসতে হবে দুর্গাপুরে। দু'নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে ছোট্ট একটি দোকান। সেখানেই চায়ের কাপে জাদু দেখাচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার পাস দুই ভাই।

    দোকানটি ইতিমধ্যেই বিপুল জনপ্রিয়

    অটোমোবাইল, মেকানিক্যালের কলকব্জার নাড়াচাড়া ছেড়ে, তারা মন দিয়েছেন চা তৈরিতে। বেসরকারি সংস্থা থেকে বহু টাকা ব্যয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাশ করেছেন দুই ভাই। সরকারি, বেসরকারি সংস্থায় কাজের চেষ্টাও করেছেন। তবে এখন তারা সফল চা ব্যবসায়ী। আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে তাদের এই চায়ের ব্যবসা বিস্তার করতে চান। ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের চায়ের স্বাদ যেমন অনন্য, তেমনি বাহারি চায়ের ভাঁড়। এই দুইয়ের আকর্ষণে, লাগাতার দোকানে আনাগোনা করছেন চা প্রেমী মানুষজন।

    দোকানটি ইতিমধ্যেই বিপুল জনপ্রিয়

    অটোমোবাইল, মেকানিক্যালের কলকব্জার নাড়াচাড়া ছেড়ে, তারা মন দিয়েছেন চা তৈরিতে। বেসরকারি সংস্থা থেকে বহু টাকা ব্যয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাশ করেছেন দুই ভাই। সরকারি, বেসরকারি সংস্থায় কাজের চেষ্টাও করেছেন। তবে এখন তারা সফল চা ব্যবসায়ী। আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে তাদের এই চায়ের ব্যবসা বিস্তার করতে চান। ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের চায়ের স্বাদ যেমন অনন্য, তেমনি বাহারি চায়ের ভাঁড়। এই দুইয়ের আকর্ষণে, লাগাতার দোকানে আনাগোনা করছেন চা প্রেমী মানুষজন।

    দোকানটি ইতিমধ্যেই বিপুল জনপ্রিয়

    অটোমোবাইল, মেকানিক্যালের কলকব্জার নাড়াচাড়া ছেড়ে, তারা মন দিয়েছেন চা তৈরিতে। বেসরকারি সংস্থা থেকে বহু টাকা ব্যয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাশ করেছেন দুই ভাই। সরকারি, বেসরকারি সংস্থায় কাজের চেষ্টাও করেছেন। তবে এখন তারা সফল চা ব্যবসায়ী। আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে তাদের এই চায়ের ব্যবসা বিস্তার করতে চান। ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের চায়ের স্বাদ যেমন অনন্য, তেমনি বাহারি চায়ের ভাঁড়। এই দুইয়ের আকর্ষণে, লাগাতার দোকানে আনাগোনা করছেন চা প্রেমী মানুষজন।

    দোকানটি ইতিমধ্যেই বিপুল জনপ্রিয়

    অটোমোবাইল, মেকানিক্যালের কলকব্জার নাড়াচাড়া ছেড়ে, তারা মন দিয়েছেন চা তৈরিতে। বেসরকারি সংস্থা থেকে বহু টাকা ব্যয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাশ করেছেন দুই ভাই। সরকারি, বেসরকারি সংস্থায় কাজের চেষ্টাও করেছেন। তবে এখন তারা সফল চা ব্যবসায়ী। আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে তাদের এই চায়ের ব্যবসা বিস্তার করতে চান। ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের চায়ের স্বাদ যেমন অনন্য, তেমনি বাহারি চায়ের ভাঁড়। এই দুইয়ের আকর্ষণে, লাগাতার দোকানে আনাগোনা করছেন চা প্রেমী মানুষজন।

    দোকানটি ইতিমধ্যেই বিপুল জনপ্রিয়

    অটোমোবাইল, মেকানিক্যালের কলকব্জার নাড়াচাড়া ছেড়ে, তারা মন দিয়েছেন চা তৈরিতে। বেসরকারি সংস্থা থেকে বহু টাকা ব্যয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাশ করেছেন দুই ভাই। সরকারি, বেসরকারি সংস্থায় কাজের চেষ্টাও করেছেন। তবে এখন তারা সফল চা ব্যবসায়ী। আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে তাদের এই চায়ের ব্যবসা বিস্তার করতে চান। ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের চায়ের স্বাদ যেমন অনন্য, তেমনি বাহারি চায়ের ভাঁড়। এই দুইয়ের আকর্ষণে, লাগাতার দোকানে আনাগোনা করছেন চা প্রেমী মানুষজন।

    দোকানটি ইতিমধ্যেই বিপুল জনপ্রিয়

    অটোমোবাইল, মেকানিক্যালের কলকব্জার নাড়াচাড়া ছেড়ে, তারা মন দিয়েছেন চা তৈরিতে। বেসরকারি সংস্থা থেকে বহু টাকা ব্যয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাশ করেছেন দুই ভাই। সরকারি, বেসরকারি সংস্থায় কাজের চেষ্টাও করেছেন। তবে এখন তারা সফল চা ব্যবসায়ী। আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে তাদের এই চায়ের ব্যবসা বিস্তার করতে চান। ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের চায়ের স্বাদ যেমন অনন্য, তেমনি বাহারি চায়ের ভাঁড়। এই দুইয়ের আকর্ষণে, লাগাতার দোকানে আনাগোনা করছেন চা প্রেমী মানুষজন।

    দোকানটি ইতিমধ্যেই বিপুল জনপ্রিয়

    অটোমোবাইল, মেকানিক্যালের কলকব্জার নাড়াচাড়া ছেড়ে, তারা মন দিয়েছেন চা তৈরিতে। বেসরকারি সংস্থা থেকে বহু টাকা ব্যয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাশ করেছেন দুই ভাই। সরকারি, বেসরকারি সংস্থায় কাজের চেষ্টাও করেছেন। তবে এখন তারা সফল চা ব্যবসায়ী। আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে তাদের এই চায়ের ব্যবসা বিস্তার করতে চান। ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের চায়ের স্বাদ যেমন অনন্য, তেমনি বাহারি চায়ের ভাঁড়। এই দুইয়ের আকর্ষণে, লাগাতার দোকানে আনাগোনা করছেন চা প্রেমী মানুষজন।

    দোকানটি ইতিমধ্যেই বিপুল জনপ্রিয়

    অটোমোবাইল, মেকানিক্যালের কলকব্জার নাড়াচাড়া ছেড়ে, তারা মন দিয়েছেন চা তৈরিতে। বেসরকারি সংস্থা থেকে বহু টাকা ব্যয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাশ করেছেন দুই ভাই। সরকারি, বেসরকারি সংস্থায় কাজের চেষ্টাও করেছেন। তবে এখন তারা সফল চা ব্যবসায়ী। আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে তাদের এই চায়ের ব্যবসা বিস্তার করতে চান। ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের চায়ের স্বাদ যেমন অনন্য, তেমনি বাহারি চায়ের ভাঁড়। এই দুইয়ের আকর্ষণে, লাগাতার দোকানে আনাগোনা করছেন চা প্রেমী মানুষজন।

    দুর্গাপুরে রেল লাইনে ফাটল, বরাতজোরে রক্ষা ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসের

    ইঞ্জিনিয়ার্স ব্রাদার্সের প্রথম উদ্যোক্তা সুমন কর। তিনি অটোমোবাইলে ডিপ্লোমা করেছেন। তারপর ভিন রাজ্যে গিয়েছিলেন পেশার তাগিদে। কিন্তু, সেখানে বিভিন্ন সমস্যার জেরে রাজ্যে ফিরে আসেন। তারপর একটি গাড়ির শোরুমে কাজ শুরু করেন। কিন্তু, মাইনে পর্যাপ্ত না হওয়ার ফলে, নিজের ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। অটোমোবাইলের স্পেয়ার-পার্টসের ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রথমে। তবে তার জন্য প্রয়োজনীয় পুঁজি ছিলনা সুমনবাবুর কাছে। এরপরই কাহিনী মোড় নয় অন্যদিকে।

    চা তৈরি করছেন ইঞ্জিনিয়ার্স ব্রাদার্স

    দামোদরের চরে আনাজ ফলিয়ে তাক লাগাচ্ছেন প্রাক্তন কাউন্সিলর

    স্পেয়ার-পার্টস এর দোকান করার জন্য কেনা জায়গায় শুরু করেন চায়ের দোকান। চা তৈরির পদ্ধতি বেছে নেন অন্যরকম। পরিবেশনের ক্ষেত্রে বদল আনতে গিয়ে নিয়ে আসেন বাহারি চায়ের ভাঁড়। তারপরেই আরও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের হাতের তৈরি চা।মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছেন সুমন বাবুর ভাই সুমিত কর। তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনী সহ বিভিন্ন জায়গায় চাকরির পরীক্ষা দিয়েছেন। তবে শিকে ছেঁড়েনি। তারপরেই দাদার দোকানে সহযোগী হিসেবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে দাদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তিনিও ব্যবসায় মন দিয়েছেন। দাদার সঙ্গে সহযোগিতা করে ব্যবসার বিস্তার করা আগামী দিনে তারও লক্ষ্য বলে জানান তিনি। এদিকে তাঁদের হাতের তৈরি চায়ে মজেছেন বহু মানুষ। দুর্গাপুরের বাসিন্দা, যাঁরা ইঞ্জিনিয়ার ব্রাদার্সের চায়ের ভক্ত, তাঁদের কথায়, এই চায়ের অত্যন্ত সুস্বাদু।

    দুর্গাপুরের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।
  • Link to this news (এই সময়)