• যক্ষ্মা নিবারণে ডাকটিকিটের ভূমিকার ইতিহাস দুই মলাটে
    আনন্দবাজার | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • যক্ষ্মা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য আর্থিক তহবিল তৈরির লক্ষ্যে এখনও পর্যন্ত দেশে প্রায় ৫০০টি ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এ হেন ভাবনা শুরু হয়েছিল ১৯০৪ সালে। যক্ষ্মা নিবারণের নেপথ্যে ডাকটিকিটের ভূমিকা ও তার ইতিহাস একত্রিত করে প্রকাশিত হল একটি বই। শনিবার ‘বেঙ্গল টিউবারকিউলোসিস অ্যাসোসিয়েশন’ ওই বইটি প্রকাশ করে।

    ১৯০৪ সালে ডেনমার্কের এক ডাক-পিওন এক দিন দেখেন, দু’টি শিশু খুঁড়িয়ে হাঁটছে। কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, তারা হাড়ের যক্ষ্মায় আক্রান্ত। ওই রোগে আক্রান্ত শিশুদের সহযোগিতা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ভাবনা থেকেই সেই পিওন ডাকটিকিট প্রকাশের পদক্ষেপ করেন। এই ভাবে সূচনার পরে ইউরোপ, আমেরিকা, কোরিয়া হয়ে ১৯৪০ সালে এ দেশে ওই ভাবনা বাস্তবায়িত করে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। পরবর্তী কালে, ১৯৫০ থেকে আজ পর্যন্ত প্রতি বছর ২ অক্টোবর ওই উদ্দেশ্যে ডাকটিকিট প্রকাশ করে চলেছে ‘ইন্ডিয়ান টিউবারকিউলোসিস অ্যাসোসিয়েশন’। যদিও বিশ্বের অন্যত্র প্রতি বছর বড়দিনে এই ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়।

    স্কুলে পড়ার সময় থেকেই ডাকটিকিট সংগ্রহে আগ্রহী, পেশায় হিস্টোপ্যাথলজিস্ট ভাস্কর মিত্র বলেন, ‘‘যক্ষ্মা নিবারণের নেপথ্যে ডাকটিকিটের ভূমিকা দেখে বেশ আশ্চর্য লেগেছিল। তা থেকেই দীর্ঘ দিন ধরে ডাকটিকিট ও তথ্য সংগ্রহ করে একত্রিত করেছি।’’
  • Link to this news (আনন্দবাজার)