• প্রয়াত এক সময়ের ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ মুকুল রায়, রবি রাতে হাসপাতালেই জীবনাবসান
    আনন্দবাজার | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • প্রয়াত রাজনীতিবিদ মুকুল রায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই নিউ টাউনের একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রবীন নেতা। রবিবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

    দীর্ঘ দিন ধরেই কিডনি-সহ একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণে অসুস্থ ছিলেন এক সময়ের ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’। মাঝে মধ্যেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হত। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন রবিবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মুকুল। মৃত্যুর খবর পেয়েই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। জানা গিয়েছে, হাসপাতাল থেকে বাড়িতে দেহ নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    রাজনীতির ময়দান থেকেও অনেক দূরে। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গিয়ে দল বদলের পরে গত ২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন মুকুল। জিতে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে ফের তৃণমূলে যোগ দেন। তবে বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেননি। ফলে তৃণমূলে যোগ দিলেও মুকুল খাতায়কলমে বিজেপি বিধায়ক হয়েই থেকে গিয়েছিলেন। তাঁকে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যানও করা হয়েছিল। তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের মামলা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। কলকাতা হাই কোর্ট খারিজের রায় দিলেও সেই সিদ্ধান্তের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

    কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন মুকুল। তৃণমূল দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন তিনি। এক সময়ে রাজ্যসভার সদস্য পদের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। জাহাজমন্ত্রের দায়িত্ব সামলানোর পরে রেলমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। তবে রাজনীতির ময়দানে ‘বিধায়ক’ হিসাবেই যাত্রা শেষ করলেন এক সময়ের ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’।
  • Link to this news (আনন্দবাজার)