আর জি কর হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার ভবনের লিফ্টে থেঁতলে নাগেরবাজারের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত তিন লিফ্টকর্মী মিলনকুমার দাস, বিশ্বনাথ দাস এবং মানসকুমার সাহাকে শুক্রবার ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠাল শিয়ালদহ আদালতের অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। এই ঘটনায় ধৃত দুই নিরাপত্তারক্ষী আশরাফুল রহমান এবং শুভদীপ দাস আগেই জামিন পেয়েছেন। তাঁদের জামিন খারিজ করার জন্য শিয়ালদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে আর্জি জানিয়েছে পুলিশ। আগামী ৯ এপ্রিল তার শুনানি হওয়ার কথা। টালা থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া এই পাঁচ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত ভাবে মৃত্যু ঘটানোর মামলা রুজু করা হয়েছে।
এ দিন তিন লিফ্টকর্মীকে পুলিশি হেফাজত থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানোর আর্জি জানিয়ে সরকারি আইনজীবী বলেন, “ঘটনার সময়ে ওই তিন লিফ্টকর্মী আটতলায় ঘুমোচ্ছিলেন। ঘটনা ঘটে যাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পরে এসে তাঁদের মধ্যে এক জন উপরে গিয়ে লিফ্ট চালু করে দেন। এর ফলে বেসমন্টে লিস্টে আটকে পড়াদের মৃত্যু যে হতে পারে, তা তাঁরা জানতেন।” পাঁচ অভিযুক্তের শনাক্তকরণের আর্জিও জানান তিনি। লিফ্টকর্মীদের জামিনের আর্জি জানান তাঁদের আইনজীবীরা। বিচারক সেই আর্জি খারিজ করে দেন।