আইনি জটিলতায় স্বপ্না বর্মণ! টিকিট না পেয়ে গোসা করা খগেশ্বরই আবার রাজগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী? তুঙ্গে জল্পনা
আনন্দবাজার | ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ভোটে লড়ার ‘স্বপ্ন’ এ বার পূরণহচ্ছে না সোনাজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মণের! আইনি জটিলতায় তিনি মনোয়নপত্রই জমাদিতে পারেননি। রাজগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থীর একের পর এক প্রচার কর্মসূচিও বাতিল করেছেতৃণমূল। শেষমেশ বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর রায়-ই তৃণমূল প্রার্থী হচ্ছেন? স্বয়ং খগেশ্বরেরইঙ্গিত সে দিকেই।
স্বপ্নার ভোটে লড়ার প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায় তাঁর চাকরি।উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে কর্মরত ছিলেন প্রাক্তন অ্যাথলিট। মাসখানেকআগে ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে কর্মক্ষেত্র থেকে ছুটি নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রেলেরঅভিযোগ,ছুটিতে থাকাকালীন তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। রাজনৈতিক দলেরবিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাঁকে দেখা গিয়েছে। নিয়ম বলে, সরকারিচাকরিরত কেউ রাজনৈতিক দলের সদস্য হতে পারেন না। ভোটের প্রচারে যোগ দিতে পারেন না। দিলে তা আইনত দণ্ডনীয়। তাই স্বপ্না তৃণমূল প্রার্থী হওয়ার পরে সেই আইনি জটিলতা আরওগভীর হয়েছে। এ নিয়ে মামলা চলছে।
এর মধ্যে স্বপ্নার প্রচার কর্মসূচি বাতিল করা হচ্ছে। তাঁর সমর্থনে জনসংযোগ এবং ভোটপ্রচারের কর্মসূচি ছিল। রবিবার সেটিও বাতিল করেছেন তৃণমূলের শ্রমিকসংগঠনের জেলা সভাপতি তপন দে। তৃণমূল সূত্রের খবর, রেল এখনও স্বপ্নাকে এনওসি(ছাড়পত্র) দেয়নি। সোমবার দুপুরে তাঁর এনওসি পাওয়ারসম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সোমবারই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। তা হলে রাজগঞ্জেতৃণমূলের প্রার্থী কে?
শাসকদলের একটি সূত্রে খবর, সে ক্ষেত্রেবিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বরই প্রার্থী হবেন। বস্তুত, টিকিট না পেয়ে রাজনীতি ছেড়ে দেবেনবলেছিলেন ওই প্রবীণ নেতা। পরে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় ‘সিদ্ধান্ত’বদলান তিনি। রবিবার বিদায়ী বিধায়কের নিজের কথায়, ‘‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ফোন করে জানিয়েছেন, আগামী সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দিতে। স্বপ্না বর্মণ রেলের কাছথেকে ছাড়পত্র পান বা না পান আমাকে সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলেছেন।’’ এ নিয়েস্বপ্নার তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।