• ৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ১৯ লক্ষ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি, রয়েছে গাড়ি, আরজি করে নির্যাতিতার মা কত টাকার মালিক?
    আনন্দবাজার | ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিতাচিকিৎসকের মাকে পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি। তিনিবৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। হলফনামায় দেখা যাচ্ছে, ১৯ লক্ষ টাকার অস্থাবর সম্পত্তিরমালিক নির্যাতিতার মা। স্বামী-স্ত্রীর যুগ্ম অ্যাকাউন্ট-সহ ব্যাঙ্কে তাঁদের পাঁচটিকরে অ্যাকাউন্ট রয়েছে।

    ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালেকর্মরত অবস্থায় ধর্ষণ ও খুন করা হয় পানিহাটির বিজেপি প্রার্থীর কন্যাকে। জুনিয়রডাক্তার হিসাবে রাতের ডিউটিতে ছিলেন তিনি। এই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আজীবনকারাবাসের শাস্তি দিয়েছে আদালত। কিন্তু তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে নির্যাতিতারবাবা-মা একাধিক বার সরব হয়েছেন। ভোটে দাঁড়িয়ে নির্যাতিতার মা জানিয়েছেন, মেয়েদেরনিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই তাঁর লক্ষ্য। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে বার বার ক্ষোভউগরে দিয়েছেন তিনি। পানিহাটি কেন্দ্রে তাঁকে লড়তে হবে তৃণমূল প্রার্থী তীর্থঙ্করঘোষ এবং সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে।

    হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে ভোটেরলড়াইয়ে নামছেন আরজি করে নির্যাতিতার মা। তাঁর স্বামীর হাতে আছে নগদ ৪০ হাজারটাকা। সোদপুর শাখার একটি ব্যাঙ্কে পাঁচটি করে অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাঁদের দু’জনেরনামেই। তার মধ্যে একটি স্বামী-স্ত্রীর যুগ্ম অ্যাকাউন্ট। সেখানে ১ লক্ষ ৪ হাজার ৭৪টাকা রয়েছে। এ ছাড়া, বিজেপি প্রার্থীর বাকি চারটি অ্যাকাউন্টে যথাক্রমে ৯০ হাজার৪২২ টাকা, ৩ হাজার টাকা, ১ লক্ষ টাকা এবং ৮ লক্ষ টাকা রয়েছে।

    পানিহাটির বিজেপি প্রার্থী এবংতাঁর স্বামী যে গা়ড়ি ব্যবহার করেন, তার বাজারদর ৮ লক্ষ ৩ হাজার ৯৪৬ টাকা। হলফনামায়তিনি জানিয়েছেন, তাঁর মেয়েই এই গাড়ি কিনেছিলেন ২০২৪ সালের ১২ মার্চ। মৃত্যুর পরবাবা এবং মা সেই গাড়ির মালিকানা পেয়েছেন। এ ছাড়া, নির্যাতিতার মায়ের ৩০ গ্রামগয়না আছে, যাঁর আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। তাঁর মোট অস্থাবরসম্পত্তির পরিমাণ ১৯ লক্ষ ২ হাজার ৪৩২ টাকা। তাঁর স্বামীর মোট অস্থাবর সম্পত্তিরপরিমাণ ৩৫ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৪৯ টাকা।

    সোদপুরে একটি বাড়ি ছাড়ানির্যাতিতার বাবা-মায়ের স্থাবর সম্পত্তি কিছু নেই। বাড়িটিও স্বামীর নামে। প্রার্থীরনিজের নামে কোনও স্থাবর সম্পত্তি নেই বলে তিনি হলফনামায় জানিয়েছেন। তাঁর কোথাও কোনওঋণও নেই। স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই পেশায় ব্যবসায়ী। সেখান থেকে এবং ব্যাঙ্কের সুদথেকে আয় হয়।

    আরজি করের নির্যাতিতার মায়ের নামেঅপরাধের কোনও রেকর্ড নেই। পুলিশের খাতায় তাঁদের নামে কোনও মামলা নেই। হলফনামায়প্রার্থী নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা কিছু উল্লেখ করেননি।
  • Link to this news (আনন্দবাজার)