সোনা পাপ্পুর মামলায় রাজ্যের এক পুলিশকর্তাকে তলব ইডির! ডেকে পাঠানো হল এক ব্যবসায়ীকেও
আনন্দবাজার | ১২ এপ্রিল ২০২৬
এখনও ধরা পড়েননি সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। তাঁরবাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই ঘটনায় আইপিএসগৌরব লাল এবং ব্যবসায়ী জয় কামদারকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গৌরবকলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ছিলেন। এখন তিনি হাওড়া পুলিশে কর্মরত।
গত ১ এপ্রিল পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই দিনব্যবসায়ী জয়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তাঁর বাড়ি থেকে টাকাও উদ্ধার করাহয়েছিল। এ বার সেই জয়কেও সমন পাঠানো হল। মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চলেছিল ১ এপ্রিল।ইডি বিবৃতিতে দাবি করে, তল্লাশির সময়ে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকাবাজেয়াপ্ত করা হয়। ৬৭ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকার সোনা, রুপোর গয়নাওউদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের সময়ে পাপ্পুর ব্যবহার করা একটি ফরচুনার গাড়িবাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি রিভলভার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যাতে লেখা ছিল ‘মেড ইন ইউএসএ’।রাজ্যে ‘অবাধ, স্বচ্ছ, ভয়হীন’ বিধানসভা ভোট নিশ্চিত করতে সেই অস্ত্রপুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।
ইডির দাবি, রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের রুজু করাবেশ কয়েকটি এফআইআরের ভিত্তিতে পাপ্পুর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে ইডি। ভারতীয়দণ্ডবিধি এবং ১৯৫৯ সালের অস্ত্র আইনেও মামলা রুজু রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। কাঁকুলিয়ায়গন্ডগোলের ঘটনায় তাঁকে খুঁজছে পুলিশ। সিন্ডিকেট করে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগও রয়েছেপাপ্পুর বিরুদ্ধে। তিনি এখন পলাতক। ইডি তাঁকে সমন পাঠালেও হাজিরা দেননি বলে দাবিবিবৃতিতে। পাপ্পু ‘লাইভে’ এসে দাবিকরেন, তাঁর স্ত্রী, বৃদ্ধ বাবাকে ইডিরঅভিযানের সময়ে ‘অত্যাচার’ করা হয়েছে।
রবীন্দ্র সরোবরে গন্ডগোলের ঘটনায় নাম জড়ায় পাপ্পুর। এইঘটনায় এখনও তাঁকে গ্রেফতার করা যায়নি। ইডি সূত্রে জানানো হয়েছে, সোনাপাপ্পুর নামে বেশ কয়েকটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। তোলাবাজি, হুমকি-সহনানা অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই এফআইআরের ভিত্তিতে তাঁকে সমন পাঠায় ইডি।তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। ইডি সূত্রে খবর, কসবা, বালিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন সোনাপাপ্পু।