তিনি বিজেপির প্রার্থী। নির্বাচনের প্রশাসনিক কাজে তাঁর যুক্ত থাকার কথাই নয়।তবু তাঁকে ভোটের ডিউটির চিঠি দেওয়ার অভিযোগ উঠল আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী দীপক বর্মণকে। তাঁর অভিযোগ, ভোটের কাজের প্রশিক্ষণে না যাওয়ায় তাঁকে শো-কজ়ও করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের দাবি, এমনটা ঘটে থাকলে অবশ্যই ওই প্রার্থীকে ভোটের কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, এ বার জেলায় প্রায় আড়াই হাজার ভোটকর্মীর অভাব দেখা দিয়েছে। পড়শি দুই জেলা, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি থেকে কর্মী এনেও তা পূরণ করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন প্রশাসনের কর্তারা। নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে, বিজেপি প্রার্থীকে ভোটের ডিউটি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়েছে।
ফালাকাটার বিদায়ী বিধায়ক দীপক দেওগাঁও হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকও। তাঁর দাবি, তিনি যেএ বারও বিজেপির প্রার্থী, তা জেনেও প্রশাসন তাঁকে ভোটকর্মী হিসাবে প্রথমে প্রশিক্ষণের চিঠি দেয়। দীপকের দাবি, ‘‘বিষয়টি প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে জানাই। তাসত্ত্বেও প্রশিক্ষণে উপস্থিত নাথাকায় আমাকে শো-কজ় করা হয়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘দু’দিন আগে প্রশাসনের তরফে ফের চিঠি দিয়ে জানানো হয়, আমাকে একটি বুথের প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রশিক্ষণেও যেতে হবে বলে ফের নির্দেশ দেওয়া হয়। এটা ইচ্ছাকৃত ভাবে বিরক্ত করা ছাড়াকিছু নয়।’’
জেলা প্রশাসনের কর্তাদের একাংশের দাবি, হয়তো প্রার্থী যথাযথ জায়গায় বিষয়টি না জানানোয়, জল এত দূর গড়িয়েছে। আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক ময়ূরী ভাসু বলেন, “প্রার্থীর নামে ভোটের ডিউটির চিঠি গিয়ে থাকলে, তা প্রত্যাহার করা হবে। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।”