উত্তর-পশ্চিম বিহার থেকে মণিপুরপর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। সমুদ্রতল থেকে তার উচ্চতা ০.৯ কিলোমিটার। মূলতপশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে গাঙ্গেয় বঙ্গে শুকনো বাতাস প্রবেশ করছে। তার ফলেউষ্ণতা এবং আর্দ্রতা বাড়ছে। ১৪ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত গরমের অস্বস্তির সতর্কতাজারি করেছে হাওয়া অফিস।
মঙ্গলবার থেকে আগামী রবিবারপর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ার সতর্কতাজারি করা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া,বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান। এ ছাড়া, দক্ষিণের সব জেলাতেই গরম বাড়বে। বাতাসেআর্দ্রতা বেশি থাকায় গরমের অস্বস্তিও বজায় থাকবে। আপাতত স্বস্তির কোনও পূর্বাভাসনেই।
তবে পশ্চিমের এই জেলাগুলিতে গরমেরপাশাপাশি কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। সেই সম্ভাবনা রয়েছেঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পশ্চিমবর্ধমান, বীরভূমে। তবে দু’এক পশলা বৃষ্টিতে গরম কমবে না। বরং আরও বেড়ে যেতে পারে।
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আপাততআবহাওয়া সংক্রান্ত কোনও সতর্কতা নেই। তাপমাত্রা আগামী তিন দিনে আরও তিন থেকে চারডিগ্রি বাড়তে পারে উত্তরের সর্বত্র। তার পরের চার দিনে তাপমাত্রা একই রকম থাকবে।দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণদিনাজপুর, মালদহে প্রায় প্রতি দিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঝোড়োহাওয়া থাকতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে।
দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তিন থেকে চার ডিগ্রিতাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ইতিমধ্যে কলকাতার তাপমাত্রা৩৫ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় পারদ আরও চড়েছে। তাপমাত্রা ফের বাড়লে তা ৪০ ছাড়িয়েযেতে পারে বলে আশঙ্কা। সোমবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৭ ডিগ্রিসেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.১ ডিগ্রি বেশি। রবিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৫ ডিগ্রি কম।
গরম নিয়ে কিছু সতর্কতা অবলম্বনকরতে বলেছে আলিপুর। বাতাসে উষ্ণতা ও আর্দ্রতা বেশি থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যা হবেশিশু ও বয়স্কদের। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত চড়া রোদে বাইরে না বেরোনোরপরমার্শ দেওয়া হয়েছে। জল তেষ্টা না পেলেও বেশি করে জল খাওয়ার কথা বলেছেনআবহবিদেরা।