শিশুটির জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন ছিল ন’কোটি টাকা। রাজারহাটের বাসিন্দা শিশুটির বাবা, মাছ ব্যবসায়ী সুবিনয় মণ্ডলের পক্ষে ওই বিপুল টাকা জোগাড় করা সম্ভব ছিল না। অগত্যা, ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে মেয়ের চিকিৎসার টাকা তুলতে সচেষ্ট হন মণ্ডল দম্পতি। দেড় বছর ধরে টানা আইসিইউ-তে ছিল সেই শিশু। ওষুধ পেতে টাকার অপেক্ষায় থাকা, স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ) টাইপ ওয়ানে আক্রান্ত বছর দুয়েকের সেই আদৃতি দিন কয়েক আগে ঘুমের দেশে চলে গিয়েছে। সন্তানের চোখ দুটো বাঁচিয়ে রাখতে কর্নিয়া দানের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সুবিনয় ও সীমা মণ্ডল। সীমার আক্ষেপ, দেড় বছর ধরে অপেক্ষা করেও টাকা ওঠেনি।