• নড্ডার মিছিল আসতেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
    আনন্দবাজার | ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • একদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার রোড শো, অন্য দিকে তৃণমূলের মিছিল। দু’দলের কর্মসূচি দেখেই অশান্তির আঁচ পেয়েছিলেন ভাতারের বাসিন্দারা। মারপিট, সংঘর্ষ না ঘটলেও বিজেপির মিছিল ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানে লড়াইয়ের মেজাজ তৈরি হয়। কড়া হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    সূচি অনুযায়ী বিকেল ৪টে থেকে ভাতারের বিজেপি প্রার্থী সৌমেন কার্ফার সমর্থনে জগৎপ্রকাশ নড্ডার রোড-শো হওয়ার কথা বর্ধমান-কাটোয়া রাস্তার ভাতার বাজার দমকল মোড় পুরনো বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত। বিকেল ৫টা থেকে মিছিল হওয়ার কথা তৃণমূলেরও। কিন্তু বিজেপির কর্মসূচি শুরু হতেই ৫টা বেজে যায়। তৃণমূলের কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন। পরিস্থিতি তেতে উঠছে আন্দাজ করে পুলিশ, বাহিনীও প্রস্তুত হয়। তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী, প্রার্থী শান্তনু কোনারেরা কর্মীদের রাস্তা ছেড়ে সুশৃঙ্খল ভাবে কার্যালয় সংলগ্ন ফাঁকা জায়গায় জড়ো হওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু বিজেপির মিছিল আসতেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁরা। পাল্টা স্লোগান দেন বিজেপি কর্মীরাও।

    নড্ডা বলেন, ‘‘বাংলা, বিহার, ওড়িশাকে এক সূত্রে বাঁধতে এ বারে বাংলায় বিজেপিকে জেতাতেই হবে।’’ তৃণমূলের আমলে নারী নির্যাতন, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে বলে দাবি করেন। বর্ধমান-কাটোয়া রেলপথের উন্নতি করারও আশ্বাস দেন। নড্ডার গাড়ি দমকল মোড় সংলগ্ন হেলিপ্যাডের দিকে যাওয়ার সময়েও তৃণমূল কর্মীরা পুনরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। ভাতারেরবিজেপি প্রার্থী সৌমেন কার্ফার দাবি, ‘‘আসলে তৃণমূল ভয় পেয়েছে। তাই দলীয় কার্যালয়ে সামনে লোক জড়ো করে কর্মসূচিকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।’’ যদিও ভাতার ব্লক তৃণমূল সভাপতি বাসুদেব যশের দাবি, ‘‘কয়েক দিন আগে থেকেই রবিবার বিকালে মিছিলের অনুমতি নেওয়া ছিল। তৃণমূল কর্মীরা ভদ্রতা দেখিয়ে ওদের কর্মসূচি করতে ছাড় দিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে কোনও অসম্মানসূচক কথা বলা হয়নি। স্লোগানে রেগে গেলে কিছু করার নেই।’’
  • Link to this news (আনন্দবাজার)