• ভোটের আগের দিন খাগড়াগড়ে এনআইএ, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এলাকা ঘুরলেন আধিকারিকেরা
    আনন্দবাজার | ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • রাত পোহালেই ভোট। তার আগে পূর্ববর্ধমানের খাগড়াগড়ে মঙ্গলবার গেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। কেন্দ্রীয় বাহিনীএবং পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় ঘুরলেন এনআইএ আধিকারিকেরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেতাঁরা কথা বলেন। ভোটের আগে কাউকে ভয় দেখানো হচ্ছে কি না, কেউ হুমকি দিচ্ছেন কি না,খোঁজ নেওয়া হয়েছে।

    ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর খাগড়াগড়েরএকটি বাড়িতে প্রবল বিস্ফোরণ হয়েছিল। তাতে দু’জনের মৃত্যু হয় এবং এক জন জখম হন।অভিযোগ, বোমা তৈরির কাজ চলছিল ওই বাড়িতে। পুলিশ সেখান থেকে বিস্ফোরক পদার্থ,আরডিএক্স, হত ঘড়ির ডায়াল এবং সিম কার্ড উদ্ধার করে। সেই ঘটনার তদন্ত করছে এনআইএ। এর আগে একাধিক বার তারা খাগড়াগড়ে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মঙ্গলবারএনআইএ-র তিন সদস্যের দল ওই বাড়ির সামনে গিয়েছিল। তবে বাড়িতে তারা ঢুকতে পারেনি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির মালিক নুরুল হাসান চৌধুরীর কাছে চাবি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকেরা। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও চাবি পাওয়া যায়নি। এর পর তাঁরা লাকুড্ডি জলকল মাঠের দিকেযান। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। কাঞ্চননগর, আঞ্জিরবাগান,বাজেপ্রতাপপুরেও যান এনআইএ-র প্রতিনিধিরা। সর্বত্রই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আশ্বস্ত করা হয়। ভোটের আগের দিন খাগড়াগড়ে এনআইএ-র এই তৎপরতা নিয়ে জল্পনাতৈরি হয়েছে। বুধবার রাজ্যের সাত জেলার ১৪২টি আসনে দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় ভোটগ্রহণহবে। অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর কমিশন। দিকে দিকেকেন্দ্রীয় বাহিনীর বাড়তি তৎপরতা চোখে পড়ছে। চলছে টহলদারি, ধরপাকড়ও। কলকাতা হাই কোর্টজানিয়েছে, ধরপাকড়ের সময় ব্যক্তিস্বাধীনতার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে কমিশনকে। নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে।
  • Link to this news (আনন্দবাজার)