পুরসভা এলাকাগুলিতে বসছে শুভেন্দুর সরকারের ‘চোখ’! কাজকর্মে চলবে নজরদারি
আনন্দবাজার | ১৩ মে ২০২৬
রাজ্যের পুরসভা এলাকা এবং শিল্পাঞ্চলগুলিতে নজরদারি বৃদ্ধি করছে সরকার। রাজ্যে সাতটি পুরনিগম, ১২১টি পুরসভা এবং তিন শিল্পাঞ্চলকে এ বার মুড়ে ফেলা হবে সিসি ক্যামেরায়। এই সিসি ক্যামেরাগুলিতে কেন্দ্রীয় ভাবে নজরদারি চলবে পুর দফতর থেকে। বুধবার বিধানসভায় এমনটাই জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও তাঁর এ বিষয়ে কথা হয়েছে বলে জানান অগ্নিমিত্রা।
এই পদ্ধতির মাধ্যমে রাজ্যে কোন পুরসভা এলাকায় কেমন কাজ চলছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে মনে করছে প্রশাসন। বস্তুত, রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠিত হলেও পুরসভা এবং পুরনিগমগুলি এখনও রয়েছে তৃণমূলের হাতে। এ অবস্থায় পুর এলাকাগুলিতে কাজকর্ম কেমন চলছে, তার উপর নজর রাখতে তৎপর হল পুর দফতর
সূত্রের খবর, পুর এলাকার বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি পুরসভার দফতরগুলিতেও এই নজরদারি চলবে। সেখানেও বসবে সিসি ক্যামেরা এবং গোটা বিষয়টির উপর পুর দফতর কেন্দ্রীয় ভাবে নজরদারি চালাবে। কখন কে অফিসে ঢুকছেন, কখন কে বেরোচ্ছেন, সেই সময়ানুবর্তিতার উপরে নজর রাখা হবে বলে জানা যাচ্ছে।
সঠিক সময়ে সব হলে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ কলকাতা পুরসভার নির্বাচন হওয়ার কথা। তারও পরে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি নাগাদ বাকি পুরসভা এবং পুরনিগমগুলিতে নির্বাচন হতে পারে। ওই নির্বাচনে কী ফল হবে, তা নিয়ে এখন থেকেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পরে কতগুলি পুরসভা তৃণমূল ধরে রাখতে পারবে, তা নিয়ে কৌতূহল বৃদ্ধি পেয়েছে জনমানসেও। এ অবস্থায় রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভা এলাকায় কাজকর্মের উপর এখন থেকেই নজরদারি বৃদ্ধি করতে তৎপর হল রাজ্য সরকার।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ২০৭টি আসনে জয়ী বিজেপি। তৃণমূল জয়ী ৮০টি আসনে। রাজ্যের বিধানসভা আসনের সংখ্যা ২৯৪ হলেও ফলতায় পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। সে কারণে ২৯৩টি আসনে ভোটগণনা হয়েছে। তার মধ্যে কংগ্রেস দু’টি, সিপিএম একটি, আইএসএফ একটি এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি) দু’টি আসনে জয়ী হয়েছে।