• করোনায় মৃতের মধ্যে ৪২ শতাংশই ১১টি জেলার, সংক্রামিতের সংখ্যা ৪৯ লক্ষ ছাড়াল
    বর্তমান, 16 September 2020
  •  নয়াদিল্লি: ১১টি জেলা। সংক্রমণের পাশাপাশি মৃত্যুহারেও দেশের অন্যান্য প্রান্তকে টেক্কা দিয়েছে তারা। স্বাস্থ্যমন্ত্রকে তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত দেশে করোনার বলি হয়েছেন ৮০ হাজার ৭৭৬ জন। এর মধ্যে ৪২ শতাংশই এই ১১টি জেলার। প্রতিটিতে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কমপক্ষে ১ হাজারা মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। সামগ্রিকভাবে মৃত্যুহার ধীরে ধীরে কমলেও করোনা আবহে এই পরিসংখ্যান কপালে ভাঁজ ফেলেছে স্বাস্থ্যকর্তাদের। ১১টি জেলার তালিকায় মহারাষ্ট্র, দিল্লি, কর্ণাটক, তামিলনাড়ুর বড় জেলা যেমন রয়েছে, তেমনি বেশ কয়েকটি অপেক্ষাকৃত ছোট জেলাও জায়গা করে নিয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, মুম্বইয়ের পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের নাগপুর, নাসিক, জলগাঁওয়ের মতো ছোট শহুরে জেলায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে। সেইসঙ্গে, আর তিন জেলার মৃত্যুর সংখ্যাও প্রায় হাজার ছুঁই ছুঁই।

    এদিকে, ভারতে দৈনিক সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। তবে সেই সংখ্যাও টেক্কা দিল অন্যান্য দেশকে। এই নিয়ে টানা প্রায় ছ’সপ্তাহ দৈনিক আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে রইল ভারত। এদিন সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছে আরও ৮৩ হাজার ৮০৯ জন। সবমিলিয়ে দেশে সংক্রামিতের সংখ্যা ৪৯ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে আক্রান্তের পাশাপাশি সুস্থতার হারও অনেকটাই বেড়েছে। আমেরিকার জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সুস্থতার নিরিখে আমেরিকা ও ব্রাজিলকেও পিছনে ফেলেছে ভারত। এদিন পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৮ লক্ষ ৫৯ হাজার মানুষ। শতকরা হিসেবে যা প্রায় ৭৮ শতাংশ। একদিনে ৭৭ হাজারের বেশি করোনাজয়ীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়েছে। এপ্রসঙ্গে আইসিএমআরের ডিরেক্টর জেনারেল ডা: বলরাম ভার্গব বলেন, লকডাউনের কারণেই একাধিক ইউরোপীয় দেশের তুলনায় মৃত্যুহার কমিয়ে সুস্থতার হার অনেকটাই বাড়াতে পেরেছে ভারত। অন্যদিকে, করোনায় আক্রান্ত হলেন আরও এক মুখ্যমন্ত্রী। অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুও কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে খবর।

    অপরদিকে, নোভাভ্যাক্সের ২০০ কোটি ভ্যাকসিন তৈরি করবে সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া। আগস্টে দুই সংস্থার মধ্যে চুক্তি হয়েছিল। তখন সিরামকে একশো কোটি ভ্যাকসিন তৈরি করার বরাত দিয়েছিল মার্কিন সংস্থা। কিন্তু, নয়া চুক্তিতে সেই সংখ্যা দ্বিগুণ করে দিল তারা। জানা গিয়েছে, নোভাভ্যাক্সে টিকার চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। প্রাথমিক ট্রায়ালে করোনা ভাইরাস ঠেকাতে শরীরে শক্তিশালী অ্যান্টিবডি তৈরিতে সফল হয়েছিল এই সম্ভাব্য ভ্যাকসিন।
  • Link to News (বর্তমান)