• অশোকনগরে পুরোনো বাড়ি ভেঙে মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল খুলি-হাড়গোড়
    এই সময় | ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • পুরোনো বাড়ি ভেঙে নতুন বাড়ি তৈরির সময়ে উঠে এল ২টি মাথার খুলি, বহু হাড়গোড়। রবিবার দুপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে অশোকনগর কল্যাণগড় এলাকায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অশোকনগর থানার পুলিশ। খুলি-হাড়গোড় ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই বাড়ি এক সময়ে সিপিএম নেতা বিজন মুখোপাধ্যায়ের ছিল বলে দাবি করেন অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী।

    অশোকনগর কল্যাণগড় বাজারের কাছে স্বামীজি সংঘ ক্লাব। ক্লাবের পাশেই একটি বাড়ি তৈরির জন্য ভিত খোঁড়ার সময়ে হঠাৎ মাটির নীচ থেকে উঠে আসে কঙ্কালের ২টি খুলি, বেশ কয়েকটি হাড়গোড়। কোথা থেকে এগুলি এল, বুঝতে পারছেন না।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ রকম ঘটনা এর আগে কখনও এলাকায় ঘটেছে বলে মনে করতে পারছেন না তাঁরা। কী ভাবে এই খুলি, হাড় এল, তা খতিয়ে দেখুক পুলিশ। এই খবরে উদ্বেগে তাঁরা।

    এ দিন ঘটনাস্থলে যান অশোকনগর থানার আইসি চিন্তামণি নস্কর-সহ অন্যান্য আধিকারিক। হাড়গুলিকে প্রাথমিক ভাবে বহু পুরোনো বলে মনে করা হচ্ছে। আপাতত জায়গাটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। তদন্তে ফরেন্সিক টিমও। আপাতত ওই বাড়ির কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। অশোকনগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। ফরেন্সিক টিম এসে নমুনা সংগ্রহ করবে বলেও জানায় তারা।

    ঘটনাস্থলে যান অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। তাঁর দাবি, এ সব বাম আমলে ঘটেছে। তিনি জানান, এই ভিটে এক সময় সিপিএমের বিজন মুখোপাধ্যায়ের ছিল। সেই সময়ে তিনি তাঁর শাগরেদদের নিয়ে অশোকনগর দখল করে রেখেছিলেন। তাঁদের কথাই শেষ কথা ছিল। বারাসত জেলা পুলিশ তদন্ত করে সত্যি বের করুক, বলেন তিনি।

    নারায়ণ গোস্বামীর বক্তব্যের পাল্টা সিপিএম নেতা দীপঙ্কর বণিক বলেন, ‘আসলে সিপিএমের ভূত ওদের সব সময়ে তাড়া করে। তাই কিছু হলেই সিপিএমের নাম ওদের মুখে। কোথায় কী কঙ্কাল পাওয়া গেল, সেই কঙ্কাল আজ থেকে ২০ বছর আগে না ১০০ বছর আগের, পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারল না। তার আগেই তৃণমূল এ সব বলে হাওয়া গরম করতে চাইছে। ওদের মজ্জায় এই সিপিএম ভীতি ঢুকে আছে।’

  • Link to this news (এই সময়)