• ২০০২ ডিজিটাল তালিকায় নাম না থাকলেও বৈধ ভোটারকে হয়রানি করা যাবে না নির্দেশ কমিশনের
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২০০২ সালের ভোটার তালিকার হার্ড কপিতে নাম থাকলেই হবে। যদি ডিজিটাল তালিকায় নাম না থাকে তাহলে কোনও বৈধ ভোটারকে হয়রানি করা যাবে না।  হার্ডকপিতে নাম রয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে হবে ইআরও-কে। সেখানে থাকলে অযথা শুনানিতে না ডাকার প্রস্তাব জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছে সিইও দপ্তর।

    রাজ্যের অধিকাংশ বুথে ২০০২ সালে ভোটার তালিকা ডিজিটালাইজ করা হলেও কিছু কিছু বুথে তালিকা না মেলায় আপলোড করা সম্ভব হয়নি। বৈধ ভোটারের নাম ২০০২ সালের হার্ড কপিতে রয়েছে কিন্তু অনলাইনে নেই, তাহলে অহেতুক শুনানিতে ডেকে তাঁকে হয়রান করা যাবে না। যেভাবেই হোক সংশ্লিষ্ট বুথের ২০০২ সালের ভোটার তালিকার হার্ড কপি জোগাড় করে নাম যাচাই করতে হবে ইআরও-দেরকেই। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলির সাহায্যও নিতে পারেন ইআরও। প্রস্তাব দিয়েছে সিইও দপ্তর।

    Advertisement

    সূত্রের খবর, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরদিন মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোটার, নিখোঁজ ভোটার, ভুয়ো ভোটার, নন রিফান্ডেবল, এই পাঁচটি শ্রেণিকে নিয়ে দ্বিতীয় একটি তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই দ্বিতীয় তালিকা থেকে স্পষ্ট হবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কত জনের নাম বাদ পড়তে চলেছে। সিইও দপ্তর থেকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এনুমারেশন ফর্ম জমা না দিলে সেই সব ভোটার অসংগৃহীত শ্রেণিতে পড়বে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লেও ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিয়ে নতুন ভোটার হিসেবে তালিকায় নাম তুলতে পারবেন।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)