• বৃহস্পতিবার থেকেই হিয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো শুরু হচ্ছে, জেনে রাখুন খুঁটিনাটি
    এই সময় | ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে এ বার হিয়ারিংয়ের তোড়জোড় শুরু। খসড়া তালিকায় নাম আছে মানেই, হিয়ারিংয়ের ডাক পড়বে না, এমনটা নয়। তবে তুলনামূলক ঝক্কি কম। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আগামিকাল অর্থাৎ ১৮ ডিসেম্বর, সকাল থেকে প্রত্যেক ERO শুনানির চিঠি পাঠানো শুরু করবেন।

    কাদের কাছে এই নোটিস যাবে? নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, প্রাথমিক ভাবে, ৩২ লক্ষ আনম্যাপড ভোটারের কাছেই পাঠানো হতে চলেছে শুনানির নোটিস। অর্থাৎ ২০০২ সালের SIR-এর সঙ্গে যাঁদের ম্যাপিং হয়নি, অথচ ২০২৬-এর খসড়ায় নাম আছে, তাঁদের ডেকে পাঠানো হবে।

    সূত্রের খবর, দু’টি নোটিসের কপি থাকবে। একটি, যাঁর নোটিস, তাঁর হাতে দেওয়া হবে। অন্যটি ভোটারের সই করিয়ে BLO নিজের কাছে রাখবেন। সূত্রের খবর, নোটিস পাওয়ার পরে হাজিরার জন্য কিছুটা সময়ও পাবেন ভোটাররা। তা সপ্তাহখানেক হতে পারে বলে সূত্রের খবর। সরকারি অফিসেই হবে শুনানি। অর্থাৎ জেলাশাসক, মহকুমাশাসক, BDO অফিসে হবে শুনানি।

    তবে logical discrepancy-এর যে তালিকা আছে, তারও স্ক্রিনিং চলছে। ফলে, মোট কত সংখ্যক ভোটারের কাছে হিয়ারিং-এর নোটিস পৌঁছবে তা স্পষ্ট নয়। তবে কমিশনের নির্দিষ্ট করে দেওয়া ১১টি নথি হাতের কাছে প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন অনেকেই।

    সেই ১১টি নথির মধ্যে রয়েছে—

    ১. রাজ্য বা কেন্দ্র সরকারের কর্মচারী বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মী হলে তার পরিচয়পত্র

    ২. আপনার নামে ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের কোনও পরিচয়পত্র/সার্টিফিকেট/ডকুমেন্ট যা ভারত সরকার বা রাজ্য সরকার দিয়েছে। ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস, এলআইসির নথিও গ্রাহ্য হবে

    ৩. জন্মের শংসাপত্র

    ৪. ভারতের পাসপোর্ট

    ৫. স্বীকৃত বোর্ড বা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া শিক্ষা সংক্রান্ত শংসাপত্র। মাধ্যমিকের সার্টিফিকেটও গ্রহণযোগ্য। যেখানে আপনার জন্মের সাল, তারিখ উল্লেখ রয়েছে

    ৬. রাজ্যের দেওয়া পার্মানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেট

    ৭. বনাঞ্চলে যাঁরা থাকেন, তাঁদের ক্ষেত্রে বন অধিকার শংসাপত্র

    ৮. ওবিসি/এসসি/এসটি বা অন্য কোনও কাস্টের হলে কাস্ট সার্টিফিকেট ৯. জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা NRC (যেখানে চালু হয়েছে)

    ১০. রাজ্য সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের তৈরি ফ্যামিলি রেজিস্টার

    ১১. সরকারের দেওয়া জমির নথি, বাড়ির নথি। অর্থাৎ দলিল, পরচা।

    খসড়া ভোটার তালিকায় কারও নাম না থাকলে, নতুন করে নাম তোলার জন্য যে ফর্ম, সেই ফর্ম ৬ পূরণ করে Annexure-IV এর সঙ্গে জমা করতে হবে। BLO-র কাছে জমা দেওয়া যাবে সেই ফর্ম। অনলাইনেও জমা দিতে পারবেন। https://voters.eci.gov.in/ লিঙ্কে গিয়ে কিংবা ECINET অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

  • Link to this news (এই সময়)