• আবেদনের ৪ মাসের মধ্যে CAA শংসাপত্র পেয়ে স্বস্তি
    এই সময় | ১২ জানুয়ারি ২০২৬
  • এই সময়, কালনা: বছর ২৫ আগে সপরিবার বাংলাদেশ থেকে এসেছিলেন এ দেশে। ভোটার, আধার কার্ড থাকলেও দুশ্চিন্তা দেখা দেয় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের (সার) প্রক্রিয়া শুরু হলে। ঘুম ছুটে গিয়েছিল বর্তমানে পূর্বস্থলীর বড়গাছি মাঝেরপাড়ার বাসিন্দা সবুজ দাস ও তাঁর পরিবারের। তবে অবশেষে তাঁরা স্বস্তিতে। আবেদনের চার মাসের মাথায় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিটিজ়েনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্টে (সিএএ) নাগরিকত্ব শংসাপত্র পেয়েছেন সবুজ। পরিবারের অন্যরাও শিগগিরই এই শংসাপত্র পেয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

    সবুজ বলেন, ‘ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম থেকে পালিয়ে আমরা এ দেশে চলে আসি। বাবা চাঁদমনি দাস, মা চন্দ্রতারা, ভাই ও আমি। তার পর থেকে পূর্বস্থলীর বড়গাছিতেই বাস। বাবা প্রয়াত হয়েছেন। চার মাস আগে সিএএ–এর শংসাপত্রর জন্য আবেদন করেছিলাম। প্রথমে কোর্টে এফিডেভিট করি, মাস দুয়েক পরে বর্ধমানে শুনানি হয়। শুক্রবার মেল করে শংসাপত্র পাওয়ার কথা জানানো হয়। কলকাতায় দপ্তরে গিয়ে সফ্‌ট কপি প্রিন্ট করিয়ে নিয়ে এসেছি। হার্ড কপি শিগগিরই পেয়ে যাব। পরিবারের অন্যরাও তাড়াতাড়ি নাগরিকত্ব শংসাপত্র পেয়ে যাবেন বলে জানানো হয়েছে। সার–এ সিএএ–এর নথি গ্রহণযোগ্য হওয়ায় এখন আর কোনও দুশ্চিন্তা থাকল না।’

    সবুজের সিএএ শংসাপত্র পাওয়ার খবরে ওঁর মতো সমস্যায় থাকা অনেকেই উৎসাহিত। স্থানীয় বাসিন্দা সমীর মজুমদার বলেন, ‘আমিও বাংলাদেশ থেকে এসেছি। সিএএ শংসাপত্রের জন্য আবেদন করব। সবুজ শংসাপত্র পাওয়ায় অনেকটাই ভরসা পেলাম।’

  • Link to this news (এই সময়)