• ফের কলকাতায় আগুন, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের আসবাবের দোকানে আগুন
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
  • উত্তর কলকাতার বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের উপর আসবাব, প্লাইউডের একাধিক দোকান রয়েছে। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ একটি দোকানে আগুনের ফুলকি দেখতে পান কর্মীরা। দোকানে থাকা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন কর্মীরাই। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ওই দোকানলাগায়ো আরও দু’টি দোকান রয়েছে। সেখানেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

    কর্মীরা তড়িঘড়ি দোকান ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। খবর দেওয়া হয় পুলিশ ও দমকলে। ওই দোকান সংলগ্ন এলাকায় লোকবসতি রয়েছে। পর পর রয়েছে আবাসন। দোকানের পাশেই থাকা এক আবাসনের বাসিন্দাদের দাবি, আগুন তাঁদের বহুতলেও ছড়িয়েছে। এলাকাটি ঘিঞ্জি হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকর্মীদের।

    যে দোকানে আগুন ছড়ায়, তার কর্মীরা বলেন, ‘আমরা কাঠের কাজ করছিলাম। আচমকাই দোকানের ভিতর থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখি। প্রথমে ভয় পেয়ে দোকানের বাইরে চলে আসি। পরে দেখি দোকানের উপরে একটি টিনের অংশ দাউদাউ করে জ্বলছে। আমরা কয়েক জন মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। অন্যেরা দোকানে থাকা আসবাবগুলি বাইরে বার করে আনি।’ তবে কী ভাবে আগুন লাগল, তা এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে।

    দোকানগুলিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তবে দোকানগুলিতে কাঠ, প্লাস্টিক, রাসায়নিক-সহ বহু দাহ্য পদার্থ ছিল। তাই আগুন তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, দমকল দ্রুততার সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করছে না। ফলে আগুন বেশি ছড়িয়ে পড়ছে। তবে দমকলবাহিনীর মতে, দোকানগুলি বিভিন্ন জিনিসপত্রে ঠাসা। সেই কারণে হোসপাইপ দিয়ে জল ছড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।

    গত ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যাতে আনন্দপুরের নোনাডাঙায় মাতঙ্গিনী কলোনি বস্তিতে আগুন লেগেছিল। আগুনের জেরে বস্তির একাধিক ঘর পুড়ে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। পরের দিনই শহরে জোড়া আগুন লাগে। গত বৃহস্পতিবার সকালে নিউটাউনের একটি বহুতলে আগুন লাগে। বহুতলের উপরে যাওয়ার সিঁড়ি বন্ধ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকর্মীদের। বিকেলে ওয়েলিংটনের ভুটিয়া মার্কেটে আগুন লাগে।

     
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)