সোমবার নিখোঁজদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক ইউনিস ঋষীন ইসমাইল জানিয়েছেন, পরিবারের লোকজনদের অনেকেই সোমবারই দুর্ঘটনাস্থলে চলে গিয়েছেন। পুলিশ অফিসার, মহকুমা শাসক থেকে অন্যান্য আধিকারিকরা ওইসব পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আনন্দপুরেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনজন আধিকারিক পৌঁছে গিয়েছেন।
রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদের একটি খাবারের কারখানা ও গুদামে আগুন লাগে। ওই কারখানার কোনও অনুমোদন ছিল না বলে জানিয়েছেন দমকল। মঙ্গলবার বেলা ১১টা নাগাদ ঘটনাস্থলে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। দমকলমন্ত্রীর সামনেই এই কথা স্বীকার করেন দমকল বিভাগের ডিজি। কীভাবে অনুমোদনহীন কারখানা চলছিল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।