• ডোমিসাইল ডামাডোল! ভোটার তালিকায় বড়সড় ছাঁটাইয়ের পথে কমিশন...
    ২৪ ঘন্টা | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • অর্কদীপ্ত মুখোপাধ্যায়: রাজ্যের সংশোধিত ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা আনতে এবার নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। ডোমিসাইল বা স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র জমা দিয়ে যারা ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করেছেন, তাদের একটি বড় অংশই এখন কমিশনের স্ক্যানারে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, জমা পড়া ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের প্রায় ৯০ শতাংশই নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়নি। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত যতজন ডোমিসাইল সার্টিফিকেট দিয়েছেন তার ৯০% এই সার্টিফিকেটের অধিকারী নয়। ফলে ওই আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার পাশাপাশি, যে আধিকারিকরা এই সার্টিফিকেট ইস্যু করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চলেছে কমিশন।

    নির্বাচন কমিশন আগেই স্পষ্ট করে জানিয়েছিল যে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র জেলাশাসক (DM), অতিরিক্ত জেলাশাসক (ADM) এবং কলকাতার ক্ষেত্রে কালেক্টরের ইস্যু করা শংসাপত্রই গ্রহণযোগ্য হবে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, অনেক ক্ষেত্রেই এই উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বদলে অন্য স্তর থেকে শংসাপত্র সংগ্রহ করে জমা দেওয়া হয়েছে, যা কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ।

    কারা এই সার্টিফিকেটের যোগ্য?


    রাজ্য সরকারের ১৯৯৯ সালের বিজ্ঞপ্তি এবং চলতি বছরের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত রয়েছে:

    সেনাকর্মী: যারা সেনাবাহিনীতে কর্মরত, তারা রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট হিসেবে এটি পাবেন।পরীক্ষার্থী: বর্তমানে যারা সর্বভারতীয় স্তরের পরীক্ষায় বসছেন, তারা এটি পাওয়ার অধিকারী।দীর্ঘমেয়াদী বাসিন্দা: ভিন রাজ্য থেকে এসে পশ্চিমবঙ্গে টানা ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করছেন এমন ব্যক্তিরা।

    কমিশন সূত্রে খবর, যথাযথ যাচাই না করে বা এক্তিয়ার বহির্ভূতভাবে যারা এই সার্টিফিকেট ইস্যু করেছেন, সেইসব আধিকারিকদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিয়মের তোয়াক্কা না করে সার্টিফিকেট বিলি করার অপরাধে তাঁদের ওপর 'শাস্তির খাঁড়া' নামতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)