জীবনাবসান মুকুল রায়ের। বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলে খ্যাত এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সহকর্মীর প্রয়াণে শোকার্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এক্স পোস্টে লিখেছেন, ‘প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের সহসা প্রয়াণের সংবাদে বিচলিত ও মর্মাহত বোধ করছি। তিনি আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী ছিলেন, বহু রাজনৈতিক সংগ্রামের সহযোদ্ধা ছিলেন। তাঁর বিদায়ের খবর আমাকে বেদনাহত করেছে।’
দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের আর্মি পাবলিক স্কুলে বোমা হামলার হুমকি। ক্যাম্পাসে একটি বিস্ফোরক পুঁতে রাখা হয়েছে বলে সতর্ক করে এসেছে ই-মেল। তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ ও বম্ব ডিসপোজ়াল স্কোয়াড।
মুকুল রায়ের জীবনাবসান। এক্স হ্যান্ডলে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদকে শ্রদ্ধা জানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, ‘মুকুল রায়ের প্রয়াণে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগের অবসান ঘটল। অভিজ্ঞ এই বর্ষীয়ান নেতা রাজ্যের রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সংগঠনের বিস্তার ঘটাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। তাঁর পরিবার, বন্ধু ও অনুরাগীদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল।’
সোমবার সকাল হতেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুকুল রায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শহরের বেসরকারি হাসপাতালের বাইরে সমর্থকদের ভিড়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালের বাইরে বাড়ানো হলো নিরাপত্তা।
নেপালে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু অন্তত ১৮ জন যাত্রী। গুরুতর জখম ২৪ জন। রবিবার রাত দেড়টা নাগাদ পোখরা থেকে কাঠমাণ্ডু যাওয়ার সময়ে যাত্রিবোঝাই বাসটি ধাদিং জেলায় ত্রিশূলী নদীতে পড়ে যায়। বাসে ৪০ জনেরও বেশি যাত্রী ছিলেন বলে সূত্রের খবর।
৭১ বছর বয়সে জীবনাবসান মুকুল রায়ের। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করলেন BJP নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘মুকুল রায় একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও হয়েছিলেন। তিনি যখন বিজেপিতে এসেছিলেন, তাঁকে যথেষ্ট সম্মান দেওয়া হয়েছিল। ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি আমাদের সঙ্গে ছিলেন। পরে তিনি BJP ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে যান। গত ২-৩ বছর ধরে তিনি অসুস্থই ছিলেন এবং সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশ নিতে পারেননি। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।’
পুলিশ লকআপে এক অভিযুক্তকে পিটিয়ে মারার অভিযোগকে ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়ালো পুরাতন মালদা থানা এলাকায়। মাদক কারবারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট থানার এক পুলিশ কর্তা ও এক সিভিক ভলান্টিয়ারের নেতৃত্বে অভিযুক্তকে মারধর করে মেরে ফেলা হয়েছে।