• ‘আমার স্বপ্নের সোনার বাংলা’, প্রধানমন্ত্রীর খোলা চিঠি পশ্চিমবঙ্গবাসীকে
    এই সময় | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • বিধানসভা ভোটের আবহে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi)। ‘জয় মা কালী’ দিয়ে চিঠির শুরু। একেবারে প্রথমেই লেখা, ‘আমার স্বপ্নের সোনার বাংলার আবালবৃদ্ধবনিতা আজ চরম বঞ্চনার শিকার। তাই, অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আমি একটাই সংকল্প গ্রহণ করেছি, পশ্চিমবঙ্গকে বিকশিত ও সমৃদ্ধ করে তোলার সংকল্প।’

    ভোটের আগে রাজ্যে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ করবে বিজেপি। কলকাতায় বড় জনসমাবেশের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। যে সভার প্রধান বক্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই হতে পারেন। ইতিমধ্যেই ভোটের বাংলায় যাতায়াত শুরু করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভোট ঘোষণার পরে বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্বের বাংলায় যাতায়াত যে বাড়বে তা বলাই বাহুল্য। এই আবহে বাংলার মানুষকে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর।

    চিঠিতে মোদী লেখেন, দেশে গত ১১ বছর ধরে তাঁর সরকার যুব থেকে কৃষক, নারীদের উন্নয়নে কাজ করে চলেছে। বাংলায় তৃণমূল সরকারের ‘অসহযোগিতা’ ও ‘বৈরিতা’র পরেও পশ্চিমবঙ্গের ৫ কোটি মানুষ কেন্দ্রীয় জন-ধন যোজনার মাধ্যমে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পান। ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এ ৮৫ লক্ষ শৌচালয় নির্মাণ হয়েছে। ‘অটল পেনশন যোজনা’ থেকে ‘উজ্জ্বলা যোজনা’, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ থেকে ‘কৃষক সম্মান নিধি’রও উল্লেখ রয়েছে সেখানে।

    লিখেছেন, ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলা দেশের অর্থনীতির দিশারী ছিল, শিল্পায়নের অগ্রদূত। আজ পশ্চিমবঙ্গের রুগ্ন ও জরাজীর্ণ দশা দেখে আমার হৃদয় ব্যথিত হয়।’ তৃণমূলের ‘অপশাসন’, ‘তোষণমূলক রাজনীতি’কে এর জন্য দায়ী করেছেন তিনি।

    ‘স্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি অরবিন্দর পশ্চিমবঙ্গকে ভোটব্যাঙ্কের সঙ্কীর্ণ রাজনীতি, হিংসা ও নৈরাজ্য’ দিয়ে ঘিরে রেখেছে তৃণমূল, এমনও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। চিঠির একেবারে শেষে মোদীর আহ্বান, ‘এ বার পরিবর্তন অপরিহার্য। বাংলার সংস্কৃতি ফিরে পাবে তার হৃতগৌরব। ধর্মীয় হিংসার শিকার আমাদের শরণার্থী ভাই-বোনেরা CAA-র মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাবেন, অনুপ্রবেশমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে আমার পশ্চিমবঙ্গে। ২০২৬-এ বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ গড়ার দৃপ্ত শপথ গ্রহণ করি আমরা।’

  • Link to this news (এই সময়)