শাশ্বত: অনিমেষ দত্ত তো ফিরতেই চাইছিল না। যাঁরা প্রথম সিজন দেখেছেন, তাঁরা জানেন অনিমেষ একটি বিস্ফোরণে অসুস্থ হওয়ার পর তার স্ত্রী তাকে পুলিশ ফোর্সে ফেরার অনুমতি দেয়নি। যত বড় পুলিশ অফিসারই হও না কেন, বউয়ের কথা অমান্য করা যাবে না। তারপরেও কীভাবে আবার অনিমেষ ফেরে সেজন্যই দেখতে হবে ‘আবার প্রলয় টু’।
• অনিমেষের মতো শাশ্বতরও কি একই অবস্থা?
শাশ্বত: আজ অবধি যদি কোনো পুরুষ বলেন, স্ত্রীকে ভয় পান না, তাহলে মিথ্যে বলেন। কারণ দিনের শেষে বাড়ি ফিরতে হবে তো (হাসি)!
• ‘আবার প্রলয় টু’ বাংলার এই ভোটমুখী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?
শাশ্বত: সিনেমা যদি এত কিছু বদলাতে পারত, তাহলে অনেক কিছু বদলে যেত। সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক বা চিত্রনাট্যকার তাঁর বক্তব্যটুকু পেশ করতে পারেন। সিনেমা সমাজ বদলে দেবে এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। তাহলে বহু আগেই গোটা পৃথিবীর চিত্রটাই পালটে যেত। এখনও বহু মানুষ অনাহারে থাকেন, অনেকের হঠাৎ করেই চাকরি থাকে না, যুদ্ধ হয়!
• ব্যস্ত রাস্তায় ফাইট সিকোয়েন্স শ্যুট করা কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল?
শাশ্বত: আমরা বিভিন্ন জায়গায় শ্যুট করেছি। দুমকায় শ্যুট হয়েছে। নৈহাটি, ব্যারাকপুরের বিভিন্ন জায়গায় শ্যুট হয়েছে। তবে বিশেষ করে আমি বলব নৈহাটিতে বড়মা মন্দিরের সামনে ওই ব্যস্ততম রাস্তায় ফাইট সিকোয়েন্স করার কথা। যেখানে এলাকার লোকজন যাতায়াত করছেন, টোটো চলাচল করছে, সেই ভিড় রাস্তায় গোলাগুলি চলছে, মারপিট হচ্ছে এরকম সিন করা আমাদের জন্য খুব কঠিন ছিল। কিন্তু, আমরা ভালো ভাবে শ্যুট করেছি।
• অনিমেষ হয়ে ওঠার জন্য কী কী ম্যানারিজম ফলো করেছিলেন?
শাশ্বত: আমি ‘প্রলয়’ থেকেই রাজ চক্রবর্তীকে (পরিচালক) ফলো করেছিলাম। রাজের মধ্যে আলাদা একটা ‘সোয়্যাগ’ আছে। রাজের হাঁটাচলা, পোশাক, স্টাইল সবকিছু বাকি পরিচালকদের থেকে একটু আলাদা। রাজের মধ্যে একটা ভদ্র সভ্য অনিমেষ দত্ত আছে (হাসি)।
• সম্প্রতি আপনার মেয়ে হিয়া চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়ের যাত্রা শুরু হয়েছে। বাবা হিসেবে কতটা গর্বিত?
শাশ্বত: হিয়া যা করেছে, নিজের চেষ্টায় করেছে। ওর এই জার্নিতে আমার এক শতাংশও কনট্রিবিউশন নেই। পুরো কৃতিত্বই হিয়ার।