• বঙ্গে এসআইআর, 'কমিশনের ব্যর্থতা' কটাক্ষ তৃণমূলের
    আজকাল | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: আর মাত্র চার দিন, তার মধ্যে প্রায় ৮০ লক্ষ দাবি এবং আপত্তির নিষ্পত্তি করতে হবে। এই অবস্থায়, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর কাজে সহায়তা করার জন্য সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টকে প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশা থেকে বিচারক মোতায়েনের অনুমতি দিয়েছে। তারপরেই কমিশনকে একহাত নিল রাজ্যের শাসক দল। 

    সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চের কাছে- কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির তরফে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। যেখানে বলা হয়েছে যে, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত ২৫০ জন জেলা বিচারকের দাবি এবং আপত্তি নিষ্পত্তি করতে প্রায় ৮০ দিন সময় লাগবে। কিন্তু আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। ফলে হাতে আর সময় নেই। 

    জানা গিয়েছে, বর্তমানে, ২৫০ জন জেলা বিচারক এবং অতিরিক্ত জেলা বিচারককে প্রায় ৫০ লক্ষ দাবি নিষ্পত্তি করার জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে। শীর্ষ আদালত উল্লেখ করেছে যে, যদি এক একজন বিচারক প্রতিদিন ২৫০টি মামলা নিষ্পত্তি করেন, তবুও প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে প্রায় ৮০ দিন সময় লাগবে। তার পরেইনির্বাচন কমিশনকে একহাত নিয়ে পোস্ট করেছে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। 




    এক্স হ্যান্ডেলে তৃণমূল পোস্ট করে লিখেছে- বাংলার এসআইআর প্রক্রিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারছে না নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে দেশের শীর্ষ আদালত সেই নির্দেশই দিয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে আর্জি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ওই পোস্টেই লেখা হয়েছে, 'আজ এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপে, সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার ফলে তৈরি হওয়া বিশাল বাধা মোকাবিলায় প্রতিবেশী রাজ্য থেকে বিচারকদের মোতায়েনের অনুমতি দিতে বাধ্য হয়েছে।' এই হস্তক্ষেপই আদতে একগুচ্ছ বিষয়কে সামনে এনেছে বলে দাবি শীর্ষ আদালতের। সঙ্গেই পোস্টে লেখা হয়েছে, 'একই সঙ্গে, আদালত পুনর্ব্যক্ত করেছে যে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অবহিত বা পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক অনুমোদিত সমস্ত নথি, যার মধ্যে আধার এবং মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, বিচারাধীন দাবি এবং আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য গ্রহণ করতে হবে। এই স্পষ্ট নির্দেশ বিজেপি-ইসিআই-এর লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তন এবং তথ্যচিত্রের মান নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছামত প্রচেষ্টাকে বাতিল করে দেয়।'

    তৃণমূল কংগ্রেস পোস্টে লিখেছেন, 'বাংলায় ভোটারদের বেছে বেছে টার্গেট, ভয় দেখানো এবং হয়রানির ষড়যন্ত্র আবারও একটি দৃঢ় বিচারিক বাধার সম্মুখীন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলিকে আইনের সীমানার মধ্যে কাজ করতে হবে, দলীয় স্বার্থের নির্দেশে নয়।' 

     
  • Link to this news (আজকাল)