• অজিত পাওয়ারের মৃত্যু ঘিরে বাড়ছে রহস্য, DGCA-র তদন্তে ফাঁস ভয়ঙ্কর গাফিলতি!
    এই সময় | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • গত ২৮ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের বারামতীতে ‘ভিএসআর ভেঞ্চার্স প্রাইভেট লিমিটেড’ পরিচালিত লিয়ারজেট বিমান ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয় তৎকালীন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার-সহ পাঁচ জনের। এই মর্মান্তিক ঘটনা কি নিছকই দুর্ঘটনা? ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন বা DGCA-এর সাম্প্রতিক ‘স্পেশাল সেফটি অডিট’ কিন্তু অন্য কথা বলছে।

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এয়ারওর্দিনেস অর্থাৎ বিমান উড়তে সক্ষম কি না, এয়ার সেফটি এবং ফ্লাইট অপারেশনের মতো একাধিক ক্ষেত্রে ওই সংস্থার চরম গাফিলতি রয়েছে। সব মিলিয়ে অসন্তুষ্ট তদন্তকারীরা।

    মঙ্গলবার এর জেরে ভিএসআর-এর হাতে থাকা বাকি চারটি লিয়ারজেট বিমান বসিয়ে দিল DGCA। যতদিন না সমস্ত নিয়ম সঠিক ভাবে পালন করা হচ্ছে, ততদিন সংস্থাটির হাতে থাকা ওই চারটি লিয়ারজেট বিমান উড়বে না বলে জানিয়েছে DGCA। কেন এই গাফিলতি হয়েছে, কেন নিয়ম মানা হয়নি, তার বিস্তারিত কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে সংস্থার কাছ থেকে।

    DGCA-র তদন্ত সংক্রান্ত এই তথ্যগুলি সামনে আসার আগেই অবশ্য কাকার মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন অজিত পাওয়ারের ভাইপো তথা NCP (SP) নেতা রোহিত পাওয়ার। তাঁর দাবি, এটি সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। এর নেপথ্যে গভীর রাজনৈতিক বা বাণিজ্যিক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, বিমানে অতিরিক্ত জ্বালানি ট্যাঙ্ক থাকা এবং অতীতে মদ্যপানের কারণে পাইলটের সাসপেন্ড হওয়ার রেকর্ড সন্দেহজনক।

    পাশাপাশি, তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি। ভিএসআর ভেঞ্চার্সের সঙ্গে শাসক দলের নেতাদের যোগসাজশের অভিযোগ করেছেন। ইতিমধ্যেই CBI তদন্ত এবং অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছেন রোহিত। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি এই দুর্ঘটনার প্রাথমিক রিপোর্ট আসার কথা। তাতে এই ঘটনার বিষয়ে আরও স্পষ্টতা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Link to this news (এই সময়)