২০ না ২১ মার্চ, রাজ্যে ইদের সরকারি ছুটি কবে পড়েছে?
আজ তক | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চলছে মুসলিমদের সবচেয়ে পবিত্র রমজান মাস। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা বা উপবাস রাখছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ২৯-৩০ দিন টানা রোজা রাখবেন তাঁরা। মাসের শেষে চাঁদ দেখে রোজা ভঙ্গ করে পালিত হবে ইদ-উল-ফিতর। যা খুশির ইদ নামেও পরিচিত। তবে ইদের তারিখ নিয়ে এখনও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। সকলেই জানতে আগ্রহী এ রাজ্যে ইদের ছুটি পড়বে কবে?
ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, নবম মাসে রমজান পালিত হয়। এই মাসের শেষে কবে চাঁদ উঠবে, সেই সময় নিয়ে দ্বিমত রয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মদ্যে। আবার আমেরিকা এবং পশ্চিমী দুনিয়ার অধিকাংশ দেশ পূর্বের দেশগুলির মধ্যে ইদের দিনক্ষণের ফারাক থাকে। এবার শীতের একদম শেষ লগ্নে পালিত হচ্ছে রমজান। তারপরই উদযাপন হবে খুশির ইদ। জানা যাচ্ছে, এবার থেকে ক্রমশ এগিয়ে আসবে রমজান এবং ইদের সময়।
ইদের সময়
যেখানে গোটা দুনিয়া সাধারণ গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৩৬৫ দিনে এক বছরের হিসেব করে। সেখানে মুসলিমরা ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৩৫৪ দিনে এক বছর হিসেব করে। এই কারণেই ইদ-উল-ফিতর বা মুসলিমদের পবিত্র ইদের উৎসব নতুন বছর ইংরেজি ক্যালেন্ডারের হিসেবে ১১ দিন আগেই চলে আসে। ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুসারে ইদ-উল-ফিতর সাবান মাসের প্রথম তারিখে পালিত হয়। যেখানে গোটা দুনিয়া সাধারণ গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৩৬৫ দিনে এক বছরের হিসেব করে। রমজান হিজরি ক্যালেন্ডারের নবম মাসে পড়ে। তারপরই আসে সাবান মাস।
ইদের ছুটি কবে?
এ বছর রমজান শুরু হয়েছে ১৯ ফেব্রুয়ারি রমজান ৩০ দিনে হলে শেষ দিন চাঁদ দেখা যায়। সেক্ষেত্রে ২০ মার্চ ইদ-উল-ফিতর উদযাপিত হবে। তবে কোনও কারণে সেদিন পবিত্র চাঁদ দেখা না গেলে ইদ পালিত হবে ২১ মার্চ। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ছুটির তালিকায় ২১ মার্চ ইদ-উল-ফিতারের ছুটি হিসেবে ধার্য করা রয়েছে। চাঁদ দেখার উপর সেটি পরিবর্তন করা যেতে পারে।
বিশ্বের সর্বত্র একইদিনে ইদ পালিত হয় না কেন?
সব দেশে একইদিনে ইদ উদযাপিত হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। সাধারণত বিভিন্ন দেশে এক বা দুই দিনের ব্যবধানে ইদ পালিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ সৌদি আরবে ইসলাম ধর্মীয় নেতারা নতুন চাঁদ দেখার পর রমজানের শুরু এবং শেষ ঘোষণা করেন। চাঁদ দেখা নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মসজিদে ঘোষণা করা হয় এবং সেই তারিখের ভিত্তিতে ইদের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। অতএব,স্থানীয় মসজিদ বা চাঁদ কমিটি কর্তৃক ইদের চূড়ান্ত এবং নিশ্চিত তারিখ ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করেন মুসলিমরা।