মালিকদের বক্তব্য, ২০২৪ সালের নির্ধারিত ‘হায়ারিং চার্জ’ বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁদের প্রস্তাব, জ্বালানি খরচ বাদে বাসের ভাড়া ২,০৯০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,৮০০ টাকা করা হোক। মিনিবাসের ক্ষেত্রেও একই হারে বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি কর্মীর জন্য ৩০০ টাকা টিফিন ভাতা এবং ৫০০ টাকা নাইট হল্ট বাবদ ভাতা নির্ধারণের আবেদন করা হয়েছে। জ্বালানির দাম, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ও শ্রমিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় পুরনো হারে পরিষেবা দেওয়া কঠিন বলে দাবি করেছে সংগঠন।
চিঠিতে আরও প্রস্তাব রাখা হয়েছে, নির্বাচন ৬ থেকে ৮ দফায় আয়োজন করলে পরিবহন ব্যবস্থাপনা সহজ হবে এবং যানবাহনের চাপও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এতে প্রশাসন ও মালিক— উভয় পক্ষেরই সুবিধা হবে বলে মত সংগঠনের। সংগঠনের সম্পাদক প্রদীপনারায়ণ বসুর স্বাক্ষরিত চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের পরিবহনসচিব সৌমিত্র মোহনের কাছেও। এখন নির্বাচন কমিশন এই আর্থিক দাবি ও প্রস্তাব নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর পরিবহন মহলের।