তবে কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (সিপিএম) এবং আইএসএফের সঙ্গে আলাদা সমঝোতায় লড়তে আগ্রহী। তাঁর দাবি, এই বার্তা তিনি ইতিমধ্যেই সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে পাঠিয়েছেন এবং ৭ মার্চ পর্যন্ত উত্তরের অপেক্ষা করবেন।
ভোটের আগে বাবরি মসজিদের নাম তুলে প্রচার ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই সময় হুমায়ুনের সঙ্গে বৈঠক করে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সেলিমকে। দলের অন্দরেই প্রশ্ন ওঠে আদর্শচ্যুতি নিয়ে। যদিও আলিমুদ্দিনের তরফে জোট নিয়ে প্রকাশ্যে ইতিবাচক বার্তা মেলেনি। পরবর্তীতে হুমায়ুন নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, তিনি বামেদের সঙ্গে জোট করবেন না। তাতেও সিপিএম নীরবই ছিল।
অন্যদিকে, আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি একাধিকবার জোটের প্রস্তাব দিলেও দীর্ঘদিন স্পষ্ট অবস্থান নেয়নি বাম নেতৃত্ব। তবে মঙ্গলবার জানা যায়, ছাব্বিশের নির্বাচনে আইএসএফের সঙ্গেই জোটে লড়বে বামফ্রন্ট, যদিও আসন সমঝোতা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
এই প্রেক্ষাপটে হুমায়ুনের নতুন বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ১৯৭৭ সালে সিপিএমের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বামফ্রন্টে আরএসপি ও ফরওয়ার্ড ব্লকের মতো শরিকরা দীর্ঘদিন একসঙ্গে লড়েছে। সেই ঐতিহ্য ভেঙে সিপিএমকে আলাদা পথে হাঁটার আহ্বান জানানোয় নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।