কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তালিকাটি সম্পূর্ণ না হলেও, পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেই তালিকাগুলিকেই শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ চূড়ান্ত তালিকা হিসেবে ধরা হবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ২৮ ফেব্রুয়ারির তালিকা প্রকাশের পরই ভোট ঘোষণা করতে কমিশনের কোনও বাধা থাকবে না। কমিশনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের আগেই ভোট ঘোষণা করা যায়। নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত যে সর্বশেষ ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে, সেটিকেই চূড়ান্ত তালিকা হিসেবে গণ্য করা হবে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
রাজ্যে প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। চূড়ান্ত তালিকায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ২৮ ফেব্রুয়ারির তালিকা প্রকাশের পরই মোট কত নাম বাদ পড়ল, তার সঠিক চিত্র স্পষ্ট হবে না। শুনানি ও সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর মনোনয়ন পর্বের আগে যে শেষ তালিকা প্রকাশিত হবে, সেটিই প্রকৃত পূর্ণাঙ্গ তালিকা হিসেবে ধরা হবে।
কমিশনের মতে, সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পূর্ণ তালিকা প্রস্তুত করতে গেলে বিপুল সংখ্যক বিচারকের প্রয়োজন। অনুমান করা হচ্ছে, অতিরিক্ত তালিকা সংক্রান্ত শুনানি দ্রুত শেষ করতে অন্তত এক হাজার বিচারকের প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য বাইরের রাজ্য থেকে বিচারক আনার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত ভোটার তালিকায় নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা যায়। ফলে কমিশনের আশা, মনোনয়ন পর্বের আগেই অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে।