ঘটনাস্থলের পাশেই রয়েছে ব্যাঙ্ক। ঘনবসতিপূর্ন এলাকা। ভয়ে ঘর ছেরে দৌড়ে রাস্তায় স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, প্রায় দুটো থেকে আড়াইটার মধ্যে আগুন লাগে। এরপর দমকলে খবর দেয়া হলেও দীর্ঘক্ষণ দমকল আসেনি। ফলে আগুন বেড়ে গিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, "রেলের আন্ডারপাসের কারণে এখানে দমকলের বড় গাড়ি ঢুকবে না। চন্দননগর থেকেও যে গাড়ি আসবে সেটা খেজুরিয়া, আদি সপ্তগ্রাম হয়ে আসবে, আর চুঁচুড়ার গাড়ি বলাগড়ে চলে গিয়েছে। রেলের জন্য এই জায়গার যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। এর বেশি কিছু আমি বলতে পারব না।"
জানা গিয়েছে যে, স্টেশন সংলগ্ন ব্যান্ডেল বাজারে বিধ্বংসী আগুন আবগারি দপ্তরের গাড়ি মজুদ ছিল। প্রায় ১০০টির উপরে গাড়ি মজুদ ছিল। সেই গাড়িগুলোতেই হঠাৎ আগুন লেগে যায়। সেই আগুন বাজার পর্যন্ত ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।