আজকাল ওয়েবডেস্ক: 'বন্দে মাতরম' রচনার ১৫০ বছর পূর্তি। নভেম্বরেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, 'বন্দে মাতরম'-এর ১৫০ বছরে, বছরভর নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন করা হবে তা। সংসদে শীতকালীন অধিবেশনের মাঝে, লোকসভায় 'বন্দে মাতরম' নিয়ে বলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই মোদির এক মন্তব্যের পর তুমুল বিতর্কও হয় দেশজুড়ে। এসবের মাঝেই, বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন বঙ্কিম-পরিবারের সদস্য।
বৃহস্পতিবার, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে পদ্মশিবিরে যোগ দিলেন সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। কেবল যোগ দিলেন না, বিজেপিতে গিয়েই তাঁর গলায় রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা। শ্রম দপ্তরের প্রাক্তন এই আধিকারিক দলে যোগদানের রাজ্য সরকারের কর্মসংস্থান নীতির বিরুদ্ধে গুরুতর প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের সঙ্গে যুক্ত লক্ষাধিক যুবকের তথ্য একটি প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে মুছে ফেলা হয় এবং তার পরিবর্তে এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক গঠন করা হয়, যেখানে প্রায় ৪০ লক্ষ যুবক নথিভুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে যুবশ্রী প্রকল্প চালু করা হয়, যা পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, 'বর্তমানে যুবসাথী প্রকল্পের অধীনে বেকার যুবকদের মাত্র ৫০ টাকা প্রতিদিন সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, যা যুবসমাজের প্রকৃত কর্মসংস্থানের প্রয়োজন মেটাতে ব্যর্থ।'
এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, 'বন্দে মাতরম' নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্যের মাঝেই, মোদির এক মন্তব্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। এদিনের বক্তব্যে, একটা বড় সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলা, বাঙালি নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানেই, বাঙালি বঙ্কিমচন্দ্রকে নিয়ে বলার সময়, মোদির কথায় শোনা যায় 'বঙ্কিমদা'। তিনি বলেন, 'বঙ্কিমদা এমন একটা সময় এই গান লিখেছিলেন, যখন ভারতকে নিচু করে দেখানোটাই ফ্যাশন ছিল।' যদিও তাঁর বক্তব্যের মাঝেই ভুল শুধরে দেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায়। তিনি মোদির ভাষণ শুধরে দিয়ে বলেন, 'অন্তত বাবু বলুন।'