• সাধারণ মানুষকে মানসিক ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে, অভিযোগ করে বিদ্যুৎ দপ্তরে বিক্ষোভ কংগ্রেসের
    এই সময় | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • বিদ্যুৎ দপ্তরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করে পথে নামল কংগ্রেস (Congress)। মিথ্যা অজুহাতে সাধারণ মানুষকে অর্থনৈতিক এবং মানসিক ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পশ্চিম মেদিনীপুর (West Midnapore) জেলা কংগ্রেসের। এই অভিযোগ করে খড়্গপুরে (Kharagpur) বিদ্যুৎ দপ্তরের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় জেলা যুব কংগ্রেস।

    মিটার রিডিং নেওয়ার নাম করে বাড়িতে ঢুকে লাইন কেটে দেওয়া হচ্ছে। মিটারে কারচুপি করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে বিদ্যুৎ দপ্তরের তরফে। তার পরেই খুলে নেওয়া হচ্ছে মিটার। 

    কংগ্রেসের অভিযোগ, বিকল মিটারের অজুহাত দিয়ে তা পরিবর্তন না করেই খুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গেই প্রামাণ্য নথি ও যুক্তিগ্রাহ্য প্রমাণ ছাড়াই মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হচ্ছে।

    এরই প্রতিবাদ জানিয়ে, বৃহস্পতিবার, ইন্দায় বিদ্যুৎ দপ্তর (শক্তি ভবনে)-র বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস। ডেপুটেশন দেওয়া হয় ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার (DE)কে।

    পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলা কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি অনিল শিকারিয়া বলেন, ‘জোর করে স্মার্ট মিটার (Smart Meter) লাগাতে বাধ্য করা হচ্ছে। সাধারণ গৃহস্থকে প্রামাণ্য নথি ও যুক্তিগ্রাহ্য প্রমাণ ছাড়াই ৫-৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পেনাল্টি করে বিল পাঠানো হচ্ছে। FIR করে জোরপূর্বক অর্থ আদায় করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ দপ্তরের অর্থনৈতিক ও মানসিক অত্যাচারের আতঙ্কে জর্জরিত সমগ্র খড়্গপুর।’ যুব কংগ্রেসের নেতাদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষ সঠিকভাবে বিল (Electricity Bill) দেওয়া সত্বেও তাঁদের হেনস্থা করা হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক দিন ধরে খড়্গপুর শহরের ২৩, ২৪, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়িতে মিটার খুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেকেই বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। বিদ্যুৎ দপ্তরের এক আধিকারিকের নেতৃত্বে কার্যত দাদাগিরি চালানো হয় বলে অভিযোগ। এরই প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

    এর আগে বিদ্যুৎ দপ্তরের অমানবিকতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন খড়্গপুর পুরসভার চেয়ারম্যান কল্যাণী ঘোষ। বিদ্যুৎ দপ্তর ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।

    যদিও বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকদের দাবি, মিটার কারচুপি-সহ অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে অভিযান চলছে। সুনির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। পুরো বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা পরিষদের বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ চন্দন সাহা।

  • Link to this news (এই সময়)