এই সময়, চন্দ্রকোণা: দখল হওয়া জমির মালিকানা দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। ওই জমিতে তৈরি বাড়ি ভাঙার নির্দেশ দেয় আদালত। আদালতের নির্দেশে বাড়ি ভাঙতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে ফিরতে হল আদালতের কর্মী ও পুলিশ প্রশাসনকে। ঘটনা চন্দ্রকোণা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর গ্রামের।
লক্ষীকান্ত রানা ও তাঁর তিন ভাইয়ের রায়ত জায়গা দখল করে বাড়ি করেছেন কয়েক জন ব্যক্তি। জমি ফিরে পেতে ঘাটাল মহকুমা আদালতের দ্বারস্থ হন লক্ষ্মীকান্ত। মামলার রায়ে সাবেক দাগ ৮৩৮ এবং এলআর ৯৭৫ দাগের জমিতে তৈরি দুটি বাড়ি বৃহস্পতিবার ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। সেই নির্দেশ মতো এদিন দুপুর নাগাদ চন্দ্রকোণা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী, চন্দ্রকোণা –২ ব্লকের বিডিও উৎপল পাইক ও আদালতের কর্মীরা ওই গ্রামে যান। কিন্তু বাড়ি ভাঙার আতঙ্কে আধিকারিকদের সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন দুই পরিবারের সদস্যরা।
আদালতের নির্দেশ তাঁদের হাতে ধরিয়ে বাড়ি খালি করার কথা বলা হলে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাড়ির মহিলারা। এই নিয়ে তৈরি হয় উত্তেজনা। ওই বাড়িতে বসবাসকারী সুকুমার দাস ও নিয়তি দাসের পরিবারের লোকজন বাড়ি ভাঙার কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। এই নিয়ে দু’পক্ষে বচসা বেধে যায়। তাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন সুকুমার দাস। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালতের কর্মী ও প্রশাসনের কর্তারা ফিরে যান। লক্ষ্মীকান্ত বলেন, ‘আদালত যাঁদের পাঠিয়েছিলেন তাঁদের ও পুলিশ–প্রশাসনকে বাধা দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও আমি আমার জায়গার দখল পাইনি। আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ করব।’