এই সময়, কোচবিহার: কোচবিহার শহরে ফুটপাথে কত দোকান রয়েছে, তার কোনও হিসেব নেই পুরসভার কাছে। এই সমস্ত দোকান থেকে প্রতিদিন কর আদায় নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। সমস্যা সমাধানে এ বার ফুটপাথের দোকানে সিরিয়াল নম্বর দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কোচবিহার পুরসভা। এর পাশাপাশি কোচবিহার শহরে পুরকর্মীদের পরিচয় দিয়ে নানা কাণ্ড সামনে এসেছে। তাই কর্মীদের পরিচিতির জন্য বিশেষ ড্রেসকোড এবং পরিচয়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
শহরের প্রায় সমস্ত ফুটপাথই দখল হয়ে গিয়েছে। নালাও ফাঁকা নেই বহু জায়গায়। নর্দমার উপরে অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করে বহু দোকান হয়েছে। রাস্তার ধারে খাবারের দোকান থেকে শুরু করে আনাজের দোকান প্রতিদিনই বসছে। এই সমস্ত দোকান থেকে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত দৈনিক কর নেয় পুরসভা। অভিযোগ, যে পরিমাণ টাকা আদায় হয়, তা কোষাগারে জমা পড়ে না। ফুটপাথের দোকান বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি একটি বৈঠকে জেলা প্রশাসন ফুটপাথের দোকান নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দেয় পুরসভাকে। তার পরেই বিষয়টিতে লাগাম টানতে চাইছে পুরসভা।
কিছুদিন আগে কোচবিহার পুরসভার বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে পুরকর্মী পরিচয় দিয়ে পথবাতি খুলে নিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। পুরকর্মী পরিচয় দিয়ে অন্য কাজ করার অভিযোগও রয়েছে। তাই এ বার অস্থায়ী ৬৭৭ জন কর্মীর পরিচয়পত্র এবং পোশাক দেওয়ার পরিকল্পনা পুরকর্তৃপক্ষের। ১৬০ জন স্থায়ী কর্মীকেও পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ সাহা বলেন, 'বোর্ড মিটিংয়ে এই সমস্ত বিষয়ে আলোচনা হবে। এই কাজগুলো রূপায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।'