• কয়েক ঘণ্টাতেই ছেদ পড়ল বিবাহিত জীবনে, ‘বিচ্ছেদের’ কারণ জানালেন নববধূ
    এই সময় | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • বিয়ে হয়েছিল ধুমধাম করেই। তবে সেই বিয়ে টিকল না।

    বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ‘বিচ্ছেদের’ কথা ঘোষণা করলেন নববধূ। উত্তরপ্রদেশের ( Uttar Pradesh) হামিরপুর জেলার ঘটনা।

    বিয়ের পরে স্বামীর বাড়িতে আসেন মহিলাও। কিন্তু নববধূ সাফ জানিয়ে দেন, তিনি সংসার করতে পারবেন না। সেই কথা শুনেই কার্যত তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের মাথায় বাজ ভেঙে পড়ে। বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য যাওয়া হয় থানায়। সেখানে পুলিশ আধিকারিকরা নবদম্পতিকে বোঝানোর চেষ্টাও করেন। তবে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন নববধূ। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, স্বামীর সঙ্গে থাকতে নারাজ তিনি।

    পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিচ্ছেদের (divorce) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার পরে আর শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যাননি তিনি। থানা থেকে চলে যান বাপের বাড়িতে।

    পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। মিথিলেশ কুমারীর (Mithilesh Kumari) সঙ্গে বিয়ে (marriage) হয় ধরম সিংহ কুশওয়ার (Dharam Singh Kushwaha)_র। ধুমধাম করে বিয়ের পর ধরমের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি যান মিথিলেশ। সেখানে গিয়েই মিথিলেশ তাঁর স্বামীকে জানিয়ে দেম, তিনি সংসার করতে পারবেন না।

    কী কারণে সংসার করতে চান না তাও স্বামীকে জানান মিথিলেশ। তাঁর দাবি, তাঁর সঙ্গে অন্য এক জনের সম্পর্ক আছে। পরিবারকে জানালেও কেউ তাঁর কথা শোনেননি। জোর করে বিয়ে দেওয়া হয় তাঁর। বিয়ের আগে তাঁকে মারধর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

    স্ত্রীর মুখে এমন কথা শুনে হতবাক হয়ে যান ধরম। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মিথিলেশ এই কথা আগে জানালে কোনও সমস্যা হতো না। দুই পরিবারকে অপমানিতও হতে হতো না।

    এর পরেই সমাধানের পথ খুঁজতে শুরু করে দুই পরিবার। হামিরপুর( Hamirpur) জেলার রথ (Rath) থানাতেও গিয়েছিলেন তাঁরা। থানার আধিকারিকরা অনেকক্ষণ নবদম্পতিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। রথ থানার আধিকারিক রাকেশ সিং জানান, কিন্তু কোনও কথা শুনতে রাজি ছিলেন না মিথিলেশ। তাই দুই পরিবারের সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • Link to this news (এই সময়)