• আইআইটি খড়গপুরের অধিকর্তাকে রাজ্যের সংবর্ধনা
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ০১ মার্চ ২০২৬
  • রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদল আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাজ্যের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়। ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ পুস্তিকায় রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার সম্প্রসারণ, গ্রামীণ ও শহুরে পরিকাঠামোর উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক ব্যবস্থার অগ্রগতির তথ্য সংকলিত রয়েছে। সরকারের দাবি, এই প্রকল্পগুলির ফলে রাজ্যের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছেছে।

    শনিবার এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বর্ষীয়ান মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া, গীতা ভূঁইয়া এবং আয়ুব আলি। তাঁদের উপস্থিতিতে অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তীকে সম্মাননা জানানো হয়। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় উঠে আসে যে, প্রযুক্তি শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে আইআইটি খড়গপুর দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো প্রশংসাপত্রে অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে আইআইটি খড়গপুরের একাধিক উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ দেশের প্রযুক্তি শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। একই সঙ্গে রাজ্যের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে রাজ্যের শিক্ষা ও গবেষণা পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে আইআইটি খড়গপুরের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং শিল্পক্ষেত্রে গবেষণার প্রয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই ধরনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্য সরকার এবং শীর্ষ প্রযুক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই ধরনের সংযোগ শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, সামগ্রিক উন্নয়ন প্রক্রিয়াকেও আরও গতিশীল করবে। এর ফলে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে। গবেষণা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ আরও শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)