রিচা ঘোষের (Richa Ghosh) নামের পাশেও লেখা ‘আন্ডার অ্যাজুডিকেশন’। যে রিচা ২০২৫ সালে ODI বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় একাদশের সদস্য ছিলেন, যে রিচা ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী বাঙালি তনয়া, তিনিই এ বার সমস্যায় পড়লেন । শিলিগুড়ি বিধানসভা এলাকার ভোটার রিচা। শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Final Electoral Roll) প্রকাশের পরে দেখা গেল, তাঁর নাম ভারতীয় ভোটার হিসেবে থাকবে কি না, তা এখন কমিশনের বিচারাধীন লেখা রয়েছে।
শুধু রিচা ঘোষই নন, তাঁর দিদি সোমাশ্রী ঘোষের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। কেন এমন হলো, তার কোনও সদুত্তর মেলেনি নির্বাচন কমিশনের তরফে। রিচার বাবা মানবেন্দ্র ঘোষ জানান, যাঁরা এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত, তাঁদের সঙ্গে কথা না বললে ব্যাপারটা স্পষ্ট হচ্ছে না।
রিচা খেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এনিউমারেশন ফর্ম ফিলআপ করেছিলেন তাঁর বাবা। সব নথিও দেন। হিয়ারিংয়ে কোনও ডাকও আসেনি রিচার। কেন তাঁর নামের পাশে অ্যাজুডিকেশন লেখা, তা স্পষ্ট নয়। এই ঘটনায় বিরক্ত এলাকার বাম কাউন্সিলার মৌসুমি হাজরা।
মৌসুমি বলেন, ‘একটা মেয়ে ক্রিকেটে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে। তাঁর পাসপোর্ট থেকে শুরু করে সমস্ত নথি আছে। কী ভাবে এমন হয়রানি করতে পারল ওরা? চূড়ান্ত তালিকায় আমার ওয়ার্ডের অনেকের নাম বাদ গিয়েছে। অনেককে বিচারাধীন দেখানো হয়েছে। সোমবার মহকুমা নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তরে যাব।’