• ভোটার তালিকা থেকে 'ডিলিট' বিডিও-র নাম
    আজকাল | ০১ মার্চ ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নেই বিডিওর নাম। এবার প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়াল।

    চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেল ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডুর। তিনি ১৬ নম্বর ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক (AERO) হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন। অথচ একইসঙ্গে তিনি আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। 

    জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ার শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৯২ নম্বর বুথে তাঁর নাম নথিভুক্ত ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তাঁর নামের পাশে ‘ডিলিট’ দেখাচ্ছে বলে সূত্রের খবর। 

    বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু জানিয়েছেন, “আমিও তেমনটাই দেখেছি। তবে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।” ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কী কারণে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন আধিকারিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। 

    অন্যদিকে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেছে এক তৃণমূল কাউন্সিলরের।‌ নৈহাটি পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপিতা তথা তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার এবং তাঁর মা আরতি সরকারের নাম এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই হতভম্ব হয়ে পড়েন তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব। 

    শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে সুশান্ত সরকার জানান, তাঁকে হিয়ারিংয়ের জন্য ডাকা হয়েছিল এবং তিনি উপস্থিত থেকে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমাও দিয়েছিলেন। তবুও তাঁর এবং তাঁর মায়ের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। 

    তাঁর অভিযোগ, এটি সম্পূর্ণভাবে বিজেপির একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান নৈহাটি কেন্দ্রের বিধায়ক সনৎ দে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করে বলেন, “নির্বাচন কমিশন এখন নির্যাতন কমিশনে পরিণত হয়েছে।” পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, নৈহাটিতে প্রায় ছয় হাজারেরও বেশি মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

    বিধায়ক সনৎ দে জানান, দলীয় নির্দেশ মেনে যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁদের নাম যাতে পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়, সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
  • Link to this news (আজকাল)