এই সময়: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর বিধানসভায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে ৪৭ হাজারের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। এই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা দেখেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ‘ভবানীপুরে তৃণমূলনেত্রীকে ভোট দেওয়ার কেউ থাকবে না’ বলে শনিবার কটাক্ষ করেছেন। যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, ভবানীপুরে দলনেত্রী ফের বিপুল ভোটে জয়ী হতে চলেছেন।
তৃণমূল ভবনে অভিষেক রবিবার বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার্জিন আরও বাড়বে। ভবানীপুরের ভোটার লিস্টে ১ লক্ষ ৫৮ হাজার কিংবা ১ লক্ষ ৬০ হাজার নাম রয়েছে। যদি ৮০ শতাংশ ভোট পড়ে তা হলে ১ লক্ষ ৪০ হাজার ভোটের মধ্যে ১ লক্ষ ভোট মমতা পাবেন। এরা (বিজেপি) বড়জোর ২০–৩০ হাজার ভোট পাবে।’
ভবানীপুরে মমতার মার্জিন বাড়ার পাশাপাশি ২০২৬–এর ভোটে রাজ্যে বিজেপির আসন সংখ্যা ৫০–এর নীচে নেমে যাবে বলে এ দিন ফের দাবি করেছেন অভিষেক। তৃণমূল নির্বাচনী জয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হলেও জোড়াফুলের একাধিক বিধায়কের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অ্যাজুডিকেশন (বিচারাধীন) ক্যাটিগরিতে রয়েছে। ভোটের মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে যদি এই বিধায়কদের নাম অ্যাজুডিকেশন ক্যাটিগরি থেকে বেরিয়ে না আসে তা হলে এঁদের ভোটে লড়াই করা মুশকিল হয়ে যাবে।
তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, শশী পাঁজা, রফিকুর রহমান, তোরাফ হোসেন মণ্ডল, স্বাতী খোন্দকারের নাম এই ক্যাটিগরিতে রয়েছে। বীরভূমের জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের নামও রয়েছে। এঁদের প্রার্থী করা নিয়ে কি সমস্যা তৈরি হলো? এই প্রশ্নে অভিষেক বলেন, ‘নিশ্চয়ই। যদি কেউ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারেন তা হলে...কিন্তু এই বিষয়টি আমরা সুপ্রিম কোর্টে উল্লেখ করব।’