এবার একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে। চিত্রনাট্য অনুযায়ী, কিংশুক বোস নামের সেই সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের অনুরাগী সংখ্যা হার মানায় চলচ্চিত্র তারকাদেরও। কিংশুকের একটি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলিং গ্রুপও রয়েছে। কিংশুকের কনটেন্ট শ্যুট করা থেকে পোস্ট, মার্কেটিং, স্ট্র্যাটেজি— সবদিক খেয়াল রাখে তারা। তবে সেই গ্রুপের অনেক আইডিয়া মেনে নিতে পারে না কিংশুক। আচমকা কলেজের এক বিশেষ অনুষ্ঠানে কিংশুকের সঙ্গে দেখা হয় দিয়ার। এই চরিত্রে অভিনয় করছেন নবাগতা শুভাঙ্কি ধর। দিয়ার কনটেন্টের সঙ্গে মিলে যায় কিংশুকের দৃষ্টিভঙ্গি। তারা দু’জন মিলে একটি কনটেন্ট তৈরি করে। নাম হয় ‘বোসডিকে’। সমাজমাধ্যমে নতুন মাইলস্টোন তৈরি করে সেই নতুন কনটেন্ট। এরপর ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে কিংশুক ও দিয়ার জুটি। সকলেই ভাবে, প্রেম করছে তারা। যদিও বাস্তবে তা সত্যি নয়। কেবল ভালো বন্ধু হিসেবেই একে অপরের সঙ্গে কনটেন্ট বানাতে থাকে দু’জনে। এরপরই ঘটে যায় এক অনভিপ্রেত ঘটনা। ভাইরাল হয় দিয়ার মদ্যপ অবস্থার ভিডিও। যে দিয়া এতদিন দাবি করতো সে মাদক দ্রব্যের গন্ধই পছন্দ করে না, তার এমন কাণ্ড দেখে হতবাক হয় সকলে। সমাজমাধ্যমে শুরু হয় বয়কট দিয়া হ্যাশট্যাগ। এই দুর্দিনে দিয়ার পাশে থাকে কিংশুক। যদিও তার টিম বারণ করে দিয়ার সঙ্গে মিশতে। তা উপেক্ষা করে দিয়াকে নিয়ে ঘুরতে যায় কিংশুক। সেখানে গিয়ে সে বুঝতে পারে দিয়া মদ্যপান করে না। তাহলে কেন সে সারাদিন মদ্যপ অবস্থায় থাকে, এই প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে কিংশুকের মনে। বন্ধুত্ব ও বিশ্বাসের উপর ভর করে নতুন গল্প পর্দায় বুনছেন পরিচালক অংশুমান প্রত্যুষ। তিনি বলেন, ‘একজন পরিচালক হিসেবে এই ধরনের চিত্রনাট্যে কাজ করা সৌভাগ্যের। নতুন প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে গল্প এগবে।’ বনি ও শুভাঙ্কি ছাড়াও অভিনয়ে রয়েছেন শংকর চক্রবর্তী, মানসী সিনহা, সৈকত দে, রানা বসুঠাকুর। কুণাস সাহা প্রযোজিত এই ছবিটির শ্যুটিং শুরু হবে শীঘ্রই।