• আতঙ্কে আত্মঘাতী মগরাহাটের যুবক?‌
    আজকাল | ০৪ মার্চ ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নামের পাশে লেখা রয়েছে ‘‌বিচারাধীন’‌। আর তা দেখার পরেই রীতিমতো আতঙ্কিত ছিলেন মগরাহাটের উস্তি থানার ঘোলা নোয়াপাড়ার বাসিন্দা রফিক আলি গাজি। এরমধ্যেই মঙ্গলবার রাতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হলেন পেশায় ভ্যানচালক বছর ৪৪ এর রফিক। পরিবারের অভিযোগ, সমস্ত নথিপত্র জমা দেওয়ার পরেও ভোটার লিস্টে নাম বিচারাধীন থাকায় আতঙ্কে ছিলেন তিনি। সেই আতঙ্ক থেকেই আত্মঘাতী হন রফিক। এমনটাই অভিযোগ পরিবারের। খবর পেয়েই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। 

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার এসআইআর প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। কমবেশি প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। যা নিয়ে অনেকের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ–আতঙ্ক। আবার তালিকায় নাম থাকলেও বহু মানুষের নাম বিচারাধীন রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় ছিলেন রফিক আলি গাজিও। জানা গিয়েছে, মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার ছিলেন তিনি। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড সবই রয়েছে। আগেও একাধিকবার ভোটও দিয়েছেন। কিন্তু এবার এসআইআর শুনানিতে সমস্ত নথিপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও প্রকাশিত ভোটার লিস্টে তাঁর নাম বিচারাধীন হিসেবে রয়েছে। এরপর থেকেই রফিক আতঙ্কে ছিলেন বলে দাবি পরিবারের।

    ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছে রফিকের পরিবার। রফিক আলি গাজির মৃত্যুতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মৃতের প্রতিবেশীরাও। বিচারের দাবিতে ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার মানুষজন। কমিশনকে কাঠগড়ায় তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। 

    প্রসঙ্গত, এর আগে এসআইআর আবহে রাজ্যে বহু মানুষের আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এমনটাই ছিল অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই সরব ছিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু তাই নয়, ‘‌অতিরিক্ত’‌ কাজের চাপে একাধিক বিএলও–র আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। এমন অভিযোগও উঠেছিল। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরেও সেই একই ঘটনা ঘটল। 

     
  • Link to this news (আজকাল)