• অভিমানী আনন্দ বোস, কুণালকে দিলেন বড় প্রতিশ্রুতি!
    আজকাল | ০৯ মার্চ ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: আচমকা কেন ইস্তফা? সি ভি আনন্দ বোসের পদক্ষেপ ঘিরে নানা প্রশ্ন। এসবের মধ্যেই দিল্লি থেকে রবিবার কলকাতায় ফিরেছেন বাংলার সদস্য প্রাক্তন রাজ্যপাল। কিন্তু, রাজভবনে ঢোকেননি তিনি! প্রযোজনীয় জিনিসপত্র গোছাতে শ্রীমতী বোসই রাজভবনে গিয়েছেন। এ দিন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এমনই জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। পাশাপাশি, সি ভি আনন্দ বোসের তরফে তাঁকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথাও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তুলে ধরেছেন কুণাল।

    কী লিখেছেন কুণাল ঘোষ?এক্স পোস্টে তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন রবিবার আনন্দ বোসের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেই সূত্রে কুণাল লিখেছেন, 'সদ্যপ্রাক্তন রাজ্যপাল ডঃ সি ভি আনন্দ বোস কলকাতায়। তীব্র অভিমানে রাজভবনে যাননি। শ্রীমতী বোস রাজভবনে গেছেন জিনিসপত্র গোছাতে। ততক্ষণ  তাঁর সঙ্গে গল্প। শেষে বললাম, 'আপনি বাংলার ভোটার। ভোট দিতে আসতে হবে।' ডঃ বোস বললেন,' আসব। ভোট দেব কলকাতাতেই।'




    সি ভি আনন্দ বোসের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য?গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে বসে বাংলার রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সি ভি আনন্দ বোস। কেন এই পদক্ষেপ তাঁর। তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা। বিজেপিকে দুষে মুখ খুলেছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। রবিবার দিল্লি থেকে কলকাতায় পৌঁছে তাঁর পদত্যাগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন পশ্চিমবঙ্গের সদ্য পদত্যাগী রাজ্যপালও।

    সি ভি আনন্দ বোসের মন্তব্যে অন্য ইঙ্গিত! কেন তাঁর এই পদত্যেগ? কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "কারণটা কনফিডেন্সিয়াল (গোপন), ঠিক সময় এলে বলা হবে।"

    মুখ্যমন্ত্রীর সন্দেহ:উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাজ্যাপালের কুর্সি থেকে পদত্যাগের পর নিজের এক্স-হ্যান্ডলে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। লিখেছিলেন, ‘রাজ্যপাল শ্রী সি ভি আনন্দ বোসের আকস্মিক পদত্যাগের খবরে আমি হতবাক এবং গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। তাঁর পদত্যাগের কারণগুলি এই মুহূর্তে আমার জানা নেই। তবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কিছু রাজনৈতিক স্বার্থ পূরণের জন্য রাজ্যপাল যদি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চাপের মুখে পড়েন, তবে আমি অবাক হব না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন যে, শ্রী আর এন রবিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হচ্ছে। তিনি এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠিত রীতি অনুযায়ী কখনও আমার সঙ্গে পরামর্শ করেননি। এই ধরনের পদক্ষেপ ভারতের সংবিধানের চেতনাকে ক্ষুণ্ণ করে এবং আমাদের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তিকে আঘাত করে। কেন্দ্রকে সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় নীতিগুলিকে সম্মান করতে হবে এবং রাজ্যগুলির মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করে, এমন একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।’

    আনন্দ বোসের মন্তব্যের 'গোপনীয়'তা শব্দবন্ধ মুখ্যমন্ত্রীর সন্দেহকেই মান্যতা দিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

     
  • Link to this news (আজকাল)