আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‘বাংলায় একটা ‘পরিযায়ী পাখি’ এসেছে বাইরে থেকে, শুনেছেন তো? বাংলায় এসে সকাল থেকে বসে আছেন আর বাংলার নামে বদনাম করছেন।’
ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধর্নামঞ্চ থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূলের যুবনেতা সুদীপ রাহা। তিনি বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার মে মাসের পর ভ্যানিশ হয়ে যাবে। দেশের নির্বাচন কমিশন আজ একটা রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করছে। এই ভারতের নির্বাচন কমিশন বিজেপির তোতাপাখি হয়ে গিয়েছে।’
সোমবার নিউটাউনের ওয়েস্টিন হোটেলে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। সুদীপ এদিন বলেন, ‘ওয়েস্টিন বাবুরা এসেছেন, চেনেন তো হোটেলটা? মানুষ এদিকে ১০২০ টাকা দিয়ে গ্যাস কিনবে, আর গুজরাটের গ্যাস খেয়ে বাবুরা ওয়েস্টিনে থাকবেন। রাজনৈতিক ভাবে এদের জেতার কোনও চেষ্টা নেই। শুধু ভোটের আগে সিবিআই, ইডি কিংবা নির্বাচন কমিশনকে পাঠিয়ে দেওয়া।’
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, ‘স্যার এসেছেন। বর্ধমানের সীতাভোগ-মিহিদানা খাবেন, শক্তিগড়ের ল্যাংচা খাবেন, রসগোল্লা খাবেন। খেয়েদেয়ে মে মাসে বিদায় নেবেন।’
এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা নিয়েও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেন তৃণমূলের যুবনেতা। তিনি বলেন, ‘এরা যা শুধু বাংলার মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে তাই নয়, নিজেরাই ভোটারদের নামের বানান ভুল করে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে ফেলে দিচ্ছে। যেন ওরাই ঠিক করবে দিল্লিতে কে বসবে।’
সুদীপের অভিযোগ, ‘জ্ঞানেশ কুমার নাকি বলেছেন, বাংলায় ভোটের সময় হিংসা হয়। ত্রিপুরায় যখন ভোটের সময় মাথা ফাটায় তখন জ্ঞানেশ কুমার কোথায় ছিলেন? কোথায় ছিল ইলেকশন কমিশন? বাংলায় এলেই হিংসার কথা পড়ে। এনসিআরবি রিপোর্টে উত্তরপ্রদেশের হিংসা সবথেকে বেশি। দেখলাম এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে অমিতাভ বচ্চনের মতো হাত নাড়ছেন, অমিত শাহের হাতটাও অতটা ওঠে না। মনে হচ্ছে রাজনৈতিক নেতা এসেছেন।’