• ১৫ লক্ষের স্ক্রুটিনি, ভোট ঘোষণার পরে তালিকা প্রকাশ?
    আজকাল | ১৪ মার্চ ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরেই, জানা গিয়েছিল, রাজ্যে বিচারাধীন ৬০ লক্ষ। কেন এই বিপুল সংখ্যার মানুষ থাকবেন বিচারাধীন? নিষ্পত্তি কীভাবে? কবে? তা নিয়ে সুর চড়িয়েছে রাজ্যের শাসক দল। ধরনা মঞ্চ থেকেই সুর চড়িয়েছেন মমতা ব্যানার্জি।

    এসবের মাঝেই, শুক্রবার জানা গেল, ৬০ লক্ষের মধ্যে, ১৫ লক্ষ ভোটারদের নাম স্কুটিনি বা নিষ্পত্তিকরণ হয়েছে। সেই তালিকা প্রকাশ হবে আগামী সপ্তাহে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর তেমনটাই। একই সঙ্গে সূত্রের খবর, সেই তালিকা প্রকাশের  আগেই, প্রকাশ হয়ে যেতে পারে, রাজ্যের ভোটের নির্ঘন্ট। সূত্রের খবর, ১৫ কিংবা ১৬ মার্চ প্রকাশিত হতে পারে রাজ্যের ভোটের দিনক্ষণ।  

    সূত্রের খবর, যে ১৫ লক্ষের স্ক্রুটিনি সম্পন্ন হয়েছে, সেই তালিকা প্রকাশের জন্য কমিশন একটি আলাদা করে সফটওয়্যার তৈরি করছে যার  কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। এরপর সেই সফটওয়্যারে কাজ করবেন জুডিশিয়াল আধিকারিকদের কাছে। সেখানে তাঁরা এই ১৫ লক্ষের নামের তালিকা প্রস্তুত করবেন যার সময় চার থেকে পাঁচ দিন লাগতে পারে বলে অনুমান। এবং তারপরই আদালত ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রকাশিত হবে। অনুমান, আগামী বৃহস্পতি কিংবা শুক্রবার প্রকাশিত হতে পারে তালিকা। 

    অন্যদিকে, মার্চের দিন যত এগোচ্ছে, প্রশ্ন বাড়ছে ততই, রাজ্যে ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হবে কবে? তা নিয়ে প্রশ্ন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দপ্তর সূত্রের খবর, ভোটের নির্ঘণ্ট রাজ্যে আগামী ১৫ অথবা ১৬ তারিখ প্রকাশ হতে চলেছে।

    একইসঙ্গে তথ্য, বিশেষভাবে সক্ষম যে সমস্ত ব্যক্তিরা রাজ্যে রয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন মেনে তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণ করবেন বিএল ও আধিকারিকরা। তবে রাজ্যে এক দফায় ভোট গ্রহণের পক্ষেই এখনও সিদ্ধান্তে অনড় বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সিইও মনোজ আগরওয়াল। তবে সবটাই নির্ভর করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের উপর, তেমনটাও জানিয়ে দিয়েছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল।

    জানিয়েছেন, রাজ্যে প্রতিটা ভোট কেন্দ্রে অর্থাৎ ৮০ হাজার ৭০০ ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে রাজ্য পুলিশের একজন করে কর্মী অর্থাৎ কনস্টেবল থাকবেন। যারা জল দেওয়ার কাজ থেকে লাইন মেন্টেন করার জন্য কাজ করবে। এছাড়া অন্য কোনও কাজে যুক্ত থাকতে পারবেনা। 

    উল্লেখযোগ্য বিষয়, বিচারাধীন তালিকা বা এডজুডিকেশন তালিকায় নাম থাকলে কোন প্রার্থী নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না। নির্বাচনে দাঁড়াতে গেলে তাকে আলাদাভাবে আদালতে আবেদন করতে হবে দলের তরফ থেকে।

     
  • Link to this news (আজকাল)