গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘চূড়ান্ত’ ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। সেই তালিকায় তাঁর নামের পাশে ‘বিচারাধীন’ (Under Adjudication) লেখা ছিল। সোমবার পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের সেই কলিতা মাজিকেই (Kalita Maji) প্রার্থী করল বিজেপি। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। কমিশন বিজেপির (BJP) অঙ্গুলিহেলনে চলছে বলে তোপ দেগেছে তৃণমূল (TMC)।
কলিতা পেশায় পরিচারিকা। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে তাঁকে প্রার্থী করে চমকে দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তৃণমূলের অভেদানন্দ থান্ডারের কাছে পরাজিত হন তিনি। তার পরে অজয় দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। SIR নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যে। আর তাতেই শুনানির জন্য ডাক পড়ে তাঁর।
তথ্যগত অসঙ্গতি বা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্যই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন কলিতা নিজেই। তিনি বলেন, ‘আমরা ৭ বোন। শুধু আমার নামই বিচারাধীন। বাকি ছয় বোনের নাম ভোটার তালিকায় উঠে গিয়েছে। আমিও সব নথি জমা দিয়েছি। কমিশনের অফিসাররা বলেছেন, কোনও অসুবিধা নেই।’
কলিতার নাম ঘোষণার পরেই বিজেপি আর কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বিজেপি জানে, ভোটার তালিকায় কলিতার নাম ঠিক উঠে যাবে। তাই প্রার্থী করেছে। কমিশন যে বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলছে, সেটা প্রমাণ হয়ে গেল।’
তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপির মুখপাত্র শান্তরূপ দে-র পাল্টা দাবি, ‘নাম যে পর্যায়েই থাকুক না কেন, রাম-শ্যাম-যদু-মধু চাইলেই প্রার্থী হতে পারেন। আসলে তৃণমূল এ বার হারবে। সেটা বুঝতে পেরে অপপ্রচার করছে।’