• সঙ্গীতের বৈচিত্রময় সম্ভারে শতবর্ষে স্মরণ অন্নপূর্ণা দেবীকে
    এই সময় | ২০ মার্চ ২০২৬
  • তিনি অন্নপূর্ণা দেবী। তাঁকে নিয়েই তিন দিনের উৎসব শেষ হলো জি. ডি. বিড়লা সভাঘরে। ‘অন্নপূর্ণা দেবী ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে ভারতীয় ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হলো বিশিষ্ট শাস্ত্রীয়সঙ্গীত শিল্পী অন্নপূর্ণা দেবীকে। তাঁর নামে প্রকাশিত হয় ডাকটিকিটও। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী নিত্যানন্দ হলদিপুর, বসন্ত কাবরা, সুকৃতি গুপ্ত প্রমুখ।

    আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পরের দিনেই বসন্তের আবাহনে পালিত হলো অন্নপূর্ণা দেবীর জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে তিন দিনের এক বিশেষ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠান জি.ডি.বিড়লা সভাঘরে। এর আগে এই সংস্থাই পালন করেছিল সরোদ, বেহালা ও সেতার বাদনের সম্মেলন। এ বারের অনুষ্ঠিত এই সঙ্গীত সমারোহ উদ্‌যাপন হলো ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বৈচিত্রময় নানা আঙ্গিকের মধ্য দিয়ে। যা এক কথায় বলা যায় মন্ত্রমুগ্ধ করা এক ‘সঙ্গীত সফর’। যা ছিল শ্রোতাদের বড় প্রাপ্তি। শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানাতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমাদের দেশের বিভিন্ন ঘরানা এবং শৈলীতে পারদর্শী শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পীরা। যাঁরা যন্ত্রসঙ্গীত ও কন্ঠসঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে স্মরণ করলেন অন্নপূর্ণা দেবীকে। এমন একজন মহিলা সুরবাহার শিল্পী যাঁর বাবা হলেন উস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ। মাইহার ঘরানার শিল্পী।

    অন্নপূর্ণা দেবীর উল্লেখযোগ্য ছাত্ররা হলেন পণ্ডিত নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়, পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, আশিস খান, দক্ষিণা মোহন ঠাকুর, বসন্ত কাবরা, সুধীর ফাড়কে, নিত্যানন্দ হলদিপুর প্রমুখ। জন্মসূত্রে মুসলিম পরিবারে জন্ম হলেও, মাইহার স্টেটের মহারাজা ব্রীজনাথ সিং-এর দেওয়া ‘অন্নপূর্ণা’ নামেই সকলের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। প্রথম দিনের শিল্পী ছিলেন পণ্ডিত মিলিন্দ রাইকার(বেহালা), বিদূষী শুভ্রা গুহ(কন্ঠ সঙ্গীত), দ্বিতীয় দিনে পণ্ডিত শান্তনু ভট্টাচার্য(কন্ঠসঙ্গীত), পণ্ডিত বসন্ত কাবরা(সরোদ), তৃতীয় দিনে ছিলেন পণ্ডিত রাজেন্দ্র প্রসন্ন ও রীতেশ প্রসন্ন(বাঁশি), বিদূষী অশ্বিনী ভিড়ে দেশপাণ্ডে(কণ্ঠ সঙ্গীত)।
  • Link to this news (এই সময়)