পরদিন অর্থাৎ ২৫ মার্চ, বুধবার তিনটি জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। প্রথম সভা হবে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে। এরপর শিলিগুড়ির ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি এবং মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার চালাবেন। উত্তরবঙ্গের এই তিনটি কেন্দ্রের প্রচার শেষ করে তিনি দক্ষিণবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।
২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি থেকে আকাশপথে অন্ডালে পৌঁছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বরে প্রথম জনসভা করবেন। একই দিনে কেষ্ট গড় হিসেবে পরিচিত বীরভূমের দুবরাজপুরেও তাঁর আরেকটি সভা করার কথা রয়েছে। ২৭ মার্চ, শুক্রবার বাঁকুড়া জেলার ছাতনা ও ওন্দা কেন্দ্রে প্রচার করবেন তিনি। পরদিন, ২৮ মার্চ পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জ, পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর এবং কাশীপুর কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে জনসভা করার কথা রয়েছে।
২৯ মার্চ তিনি পুরুলিয়ার মানবাজার এবং বাঁকুড়ার রায়পুরে প্রচার চালাবেন। এরপর ৩০ মার্চ থেকে শুরু হবে দুই মেদিনীপুরে তাঁর নির্বাচনী সফর। ওইদিন পাঁশকুড়া পশ্চিম, ডেবরা ও নারায়ণগড়ে সভা করবেন। ৩১ মার্চ চন্দ্রকোণা, গড়বেতা এবং বিষ্ণুপুরে প্রচারসূচি রয়েছে। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ফলে ১ এপ্রিল থেকে প্রচারের তীব্রতা আরও বাড়বে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, যদিও পরবর্তী সূচি এখনও প্রকাশ করা হয়নি।